শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বাংলাদেশের মুখপত্রে আপনাকে স্বাগতম।
শিরোনাম :
চাঁদাবাজি মামলায় যুবদল নেতা আব্দুর রহিম গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ কুলাউড়ায় বোরো ক্ষেতের সরকারি প্রণোদনা বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ হালুয়াঘাটে পিও আশীষ কর্মকারের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারে অভিযোগ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করায় জামায়াতপন্থি ১৮ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ বেগমগঞ্জ খাদ্য গুদামের ওসি সুবর্ণ ভঞ্জের রোষানলে কৃষক ;দেখার যেন কেউ নেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জনপদ হাজীপুরে রাস্তা বিরোধ, শান্তিপূর্ণ সমাধান চান এলাকাবাসী মায়ের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন আল রশীদ ঢাকার বিভিন্ন প্রতিবন্ধী সংগঠন একত্রিত হয়ে প্রতিবন্ধী মানুষের আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী মাদারীপুরের শিবচরে ট্রেনের ধাক্কায় বৃদ্ধার মৃত্যু, রেললাইনের পাশ থেকে লাশ উদ্ধার রাজৈরে লোডশেডিংয়ের কারণে অস্বস্তিকর জনজীবন

হালুয়াঘাটে পিও আশীষ কর্মকারের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারে অভিযোগ

বাংলাদেশের মুখপত্র ডেস্ক :
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬

সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার: ময়মনসিংহ জেলা হালুয়াঘাটের পিও আশীষ কর্মকারের বিরুদ্ধে উঠা অনিয়ম, দুর্নীতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারে অভিযোগগুলো জনমনে ব্যাপক আলোচনা নিয়েছি। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং বিভিন্ন গোপন সূত্রে প্রাপ্ত অনুযায়ী আশীষ কর্মকার টি এ কাবিখা ২০২৫- ২০২৬ অর্থ বছরের প্রকল্পের থেকে ২০% হারে কমিশন নিয়ে করে দেয় বলে জানা যায়। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি শক্তিশালী সিন্ডিকেট পরিচালনা এবং অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলার অভিযোগ রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ময়মনসিংহ হালুয়াঘাটে আশীষ কর্মকার পিও দায়িত্ব পালন করছে। নামে বে-নামে বিভিন্ন টি এ ও কাবিখার কাজ করে যাচ্ছে বলে যানা যায়।
তার নির্দেশ ছাড়া কোন ফাইল নড়ে না এবং প্রতিটি ফাইলে ২০%ফ্রি হিসেবে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ আদায় করা হয় । এই অর্থ বাণিজ্য এত সুসংগঠিত যে,এটা অনেকে প্রাতিষ্ঠানিক চাঁদাবাজি হিসেবে অবহিত করেন।

সূত্রে জানায় আশীষ কর্মকার ক্ষমতা দাপট এটাই যে,তার অধীনে কর্মরত থাকা সকলে জিম্মি হয়ে আছেন এবং কি তার সুবিধা মতন কর্মচারী দিয়ে কাজ করিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা যায়।
প্রশাসনিক অনিয়মের আরেকটি বড় নজির হলো অযোগ্য ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়ে সুবিধার বিনিময়ে কাজ করিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
আশীষ কর্মকারের এই পদের জন্য উচ্চ ডিগ্রি ও দীর্ঘ অভিজ্ঞতা প্রয়োজন সেখানে শুধুমাত্র ম্যানেজমেন্ট ক্ষমতার জোরে একজন শিক্ষাগতভাবে অযোগ্য ব্যক্তিকে এমন পথে রাখা হয়েছে এই দুর্নীতি করে জনগণের জানমালোর নিরাপত্তার প্রতি বড় ধরনের হুমকি। অনেক যোগ্য ব্যক্তিকে নিজের অনুগত ও দুর্নীতিতে পারদর্শী ব্যক্তিদের পদায়নের মাধ্যমে তিনি তার ব্যক্তিগত আর্থিক সাম্পদ সুসংহত করেছেন।

অনুসন্ধানী জানা গেছে,টি এ ও কাবিখার ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের প্রকল্পর থেকে ২০% হারে কমিশন নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন এখানে দুর্নীতির একটি সুশৃঙ্খলার চেইন রয়েছে।যদি কেউ প্রতিবাদ করতে চাই তাকে দূরদুরন্ত এলাকায় বদলি করার হুমকি দিয়ে থাকে বলে জানা যায় অথবা বিভাগীয় মামলা ভয় দেখানো হয়বলে জানতে পারি।

বিশিষ্ট টি এ ও কাবিখার প্রকল্পটি এখন লুটপাটের এর প্রকল্পে পরিণত হয়েছে। এই ধরনের দুর্নীতিবাজের বিভাগীয় এইটা নিশ্চিত করতে একটু স্বাধীন ওডির প্রয়োজন। এই দুর্নীতির সাথে সরাসরি জরিত আশীষ কুমার তার সম্পদের হিসাব না নেওয়া এবংশাস্তিমূলকব্যবস্থা গ্রহণ না হলে এই প্রকল্প বিলীন হয়ে যাবেন। আশীষ কর্মকারের সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি এসব অভিযোগ অস্বিকার করেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর