শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বাংলাদেশের মুখপত্রে আপনাকে স্বাগতম।
শিরোনাম :
মজুচৌধুরীহাটে কোস্টগার্ড ও প্রশাসনের নাকের ডগায় কোটি টাকার অবৈধ তেল চোরাচালান মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় এনসিপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০; গ্রেপ্তার ৫ বিজিবি’র সঙ্গে ভারতীয় চোরাকারবারিদের গোলাগুলি;পিস্তল-গুলি-ইয়াবাসহ ভারতীয় নাগরিক আটক জেলা রেজিস্ট্রার নূর নেওয়াজ ক্ষমতার অপব্যবহার করে খামখেয়ালী ভাবে কাজী নিয়োগ, ব্যবস্থা নিতে আইন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ কাজী খোরশেদ আলম সহ সংশ্লিষ্ট পক্ষের বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ ডিএমপির মতিঝিল বিভাগে বিভিন্ন অপরাধে ৭৪ গ্রেফতার চকবাজারে ২০ ইয়াবা সহ ২জন গ্রেফতার মো: মনির হোসেনকে ডা. আনোয়ারুল আজীম ও মাহমুদুর রহমান মুরাদের শুভেচ্ছা মাদারীপুর শিবচর থানাধীন মাদবরচর ইউনিয়নের বাখরের কান্দি হইতে এক যুবতি নারীর মৃতদেহ উদ্ধার কমলনগরে ইজারা নিয়েও আতঙ্কে ব্যবসায়ী: সাবেক টোল আদায়কারী ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

পায়ের রগ কেটে হত্যার পর ঝুলিয়ে রাখা হয় বৃদ্ধের মরদেহ

বাংলাদেশের মুখপত্র ডেস্ক :
  • আপডেট সময় সোমবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২২

নিজস্বপ্রতিনিধি:  দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে পায়ের রগ কেটে শহিদুল ইসলাম (৬০) নামে এক বৃদ্ধকে হত্যার পর ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে তার মরদেহ।

সোমবার (১৮ এপ্রিল) সকালে শিবনগর ইউনিয়নের দাদপুর পুরাতন বন্দরে বন্ধ থাকা আফতার আলী হাসকিং মিল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় তাকে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি ও আদালতের মামলার কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়।

নিহত শহিদুল ইসলাম দক্ষিণ বাসুদেবপুর নয়াপাড়া গ্রামের মৃত আশরাফ মন্ডলের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কৃষি শ্রমিক ছিলেন।

আফতার আলী হাসকিং মিলের পাহারাদার কানু মহন্ত বলেন, ‘মিলটি দেড়মাস থেকে বন্ধ রয়েছে। পাহারারত অবস্থায় ৪টায় মিলের পেছনে গিয়ে দেখি পরিত্যক্ত একটি কক্ষের বারান্দায় এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ। পরে বিষয়টি মিলমালিক ও স্থানীয়দের জানালে তারা পুলিশে খবর দেন।’

মিলমালিক আফতার আলী বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি শহিদুল ইসলামের মরদেহ মিলের বারান্দায় ঝুলছে। পরে বিষয়টি তার পরিবার ও থানাকে জানানো হয়। মিল দেড়মাস থেকে বন্ধ। এরই সুযোগে কেউ রাতে হত্যা করে শহিদুলের মরদেহটি মিলের একটি পরিত্যক্ত কক্ষের বারান্দায় ঝুলিয়ে রেখেছে। মরদেহর পাশে একটি ছুরি ও আদালতের কাগজপত্র পড়েছিল।’

শহিদুল ইসলামের স্ত্রী কাওছার বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী শ্রমিক। তিনি অন্যের জমি ও চাতালে কাজ করতেন। আমাদের বসতভিটার জমি নিয়ে স্থানীয় হামিদুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে আদালতে মামলা বিচারাধীন। রোববার দিনাজপুরে আদালতে মামলার শুনানির তারিখ ছিল। সকাল ৯টা আদালতের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান স্বামী। কিন্তু বিকেল পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় আইনজীবীর মাধ্যমে জানতে পারি তিনি অনেক আগে দিনাজপুর থেকে ফুলবাড়ীতে চলে এসেছেন। রাতেও বাসায় ফিরেননি। সোমবার ভোরে জানতে পারি আফতাব আলী হাসকিং মিলে স্বামীর মরদেহ ঝুলছে।’

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর