অনলাইন ডেস্ক: করোনার কারণে চলতি আইপিএলে দিল্লি বনাম পাঞ্জাব ম্যাচ ঘিরে তৈরি হয়েছিল রীতিমতো সংশয়। ম্যাচের কিছুক্ষণ আগে জানা যায়- দিল্লির মিচেল মার্শের করোনা পরীক্ষার ফল পজিটিভ। ফলে দিল্লি শিবিরও ম্যাচ ঘিরে বেশ চিন্তার মধ্যে ছিল। কিন্তু বুধবার (২০ এপ্রিল) ২২ গজে দিল্লিকে পুরো অন্য মেজাজে দেখা গেল। মায়াঙ্ক আগারওয়ালের পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে একাই দাপট দেখালো টিম দিল্লি। সেই সঙ্গে ২ পয়েন্ট তুলে নিয়ে মাঠ ছাড়ল তারা।
ব্র্যাবোর্নের পিচে দ্রুত রান ওঠে। সেখানেই কিনা ১১৫ রানেই গুটিয়ে গেল পাঞ্জাব কিংস। ক্রিকেটপ্রেমীরা এই ম্যাচ দেখে সেদিক থেকে হয়তো হতাশ হয়েছেন। তবে দিল্লির পারফরম্যান্সের প্রশংসা না করে থাকা যায় না। দিল্লির তিন স্পিনার ললিত-অক্ষর-কুলদীপ মিলে তুলে নেন ৬ উইকেট। বাকি কাজটা করে দেন খালিল-মুস্তাফিজুররা।
এদিন, টসে জিতে শুরুতে পাঞ্জাবকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি অধিনায়ক পন্থ। শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে পাঞ্জাব। মায়াঙ্ক-শিখর ওপেনিংয়ে বড় রান তুলতে ব্যর্থ। পাওয়ার প্লে’র মধ্যে তিনটি বড় উইকেট হারিয়ে ফেলে পাঞ্জাব। চতুর্থ ওভারের মাথায় শিখর ধাওয়ানের উইকেট তুলে নিয়ে প্রথম ধাক্কা দেন ললিত যাদন। ১০ বলে ৯ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন শিখর। পঞ্চম ওভারে ক্যাপ্টেন মায়াঙ্ককে সাজঘরের রাস্তা দেখান মুস্তাফিজুর রহমান। ২৪ রান আছে মায়াঙ্কের ব্যাট থেকে।
পাঞ্জাবের পাওয়ার হিটার লিয়াম লিভিংস্টোনকে ফিরিয়ে অক্ষর তৃতীয় সাফল্য এনে দেন দিল্লিকে। এদিন চূড়ান্ত ব্যর্থ লিভিংস্টোন (২)। পাঞ্জাবের কোনও ক্রিকেটারকেই উইকেটে থিতু হতেই দেননি কুলদীপ-খালিলরা। ধাওয়ানের মত মাত্র ৯ রান যোগ করে ড্রেসিংরুমে ফেরেন জনি বেয়ারস্টো। পাঞ্জাবের গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার হিসেবে বার বার উঠে আসে শাহরুখ খানের নাম। কিন্তু দলের কঠিন সময়ে শাহরুখ কিন্তু ত্রাতা হয়ে উঠতে পারেননি। ২০ বল খেলে মাত্র ১২ রান করেন তিনি। তার সঙ্গে জুটি বেঁধে জিতেশ শর্মা বেশ কিছুটা রান করেন। এদিন পাঞ্জাবের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন জিতেশ (৩২)। শেষ পর্যন্ত কুলদীপ-খালিলদের আটোসাঁটো বোলিংয়ে ১১৫ রানে গুটিয়ে যান মায়াঙ্করা।