শেখ সাজেদুল হক (বোরাক) স্টাফ রিপোর্টার:
লিবিযার দালালরা কিভাবে যাত্রীর কাছ থেকে মুক্তিপনের টাকা আদায় করে, কাউ কে হাতুরি দিয়ে পিটায় আবার উপরের দিকে পা ঝুলিয়ে পিটায়, মাদারীপুর সদর থানার, দত্ত কেন্দুয়া ইউনিয়নের শিনাথদী গ্রামের ফয়জুল সিকদারের একমাত্র ছেলে মেহেদী সিকদারের ইতালি যাওয়ার স্বপ্ন, এক নিমিশেই ধুলিস্যাৎ করে দিল।
আপন ছোট কাকি হেনা বেগম। ছোট কাকা জামাল সিকদারের স্ত্রী হেনা বেগম কে মা বলে ও রেহাই পেলো না মেহেদি সিকদার। লিবিয়ার দালাল হেনা বেগমের ভসুর পুত্র মেহেদী সিকদারের প্রতারনা ফাঁদে ফেলে, ব্রেন হোয়াইট ওয়াস করে, লিবিয়া পাঠিয়ে, এক নিমিষেই ৩৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার পাল্টি দিয়ে, মেহেদীর পিতা ফয়জুল সিকদার কে পথে বসিয়ে, উল্টো হয়রানি করছে,
লিবিয়ার দালাল হেনা বেগম ও তার সহ যোদ্ধা ফাতেমা আক্তার রিতা,সদর থানা মাদারীপুর, দত্ত কেন্দুয়া ইউনিয়নের শিনাথদী গ্রামের সিকদার বাড়ি দুই পুত্র বধু। মেহেদী সিকদার কে তার বাবা শেষ সম্বর টুকু দিয়ে বাংরাদেশে ফেরত এনে ও, রক্ষা পাচ্ছে না ফয়জুল সিকদার। দালাল হেনা বেগমের পক্ষ থেকে একের পর এক হুমকি। মামলার হুমকি উল্টো টাকা পাবে বলে হয়রানি কর আসছে লিবিয়ার দালার চক্র। দালাল রা এই ঘটনাটি ধামা চাপা দেয়ার জন্য প্রায় প্রতিদিন করছে সংবাদ সম্মেলন করে, ফয়জুল সিকদারের পরিবার কে রাখতেছে দৌড়ের উপর। মেহেদী সিকদার বলেন তাকে মরু ভূমিতে নিয়ে না খাইয়ে মারধর করে আবার পিছনে হাত বেধে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। উপায়ান্তু না পেয়ে বাবা ফয়জুল সিকদারের জমি জমা বিক্রি করে টাকা পরিশোধ করেন। কারন ছোট কাকি হেনা বেগম তার ভাসুর পুত্র মেহেদীকে মাফিয়ার কাছে বিক্রি করে দেয়। কোন কারনে যদি মেহেদী শিকদার মারা যায় তাহলে ফয়জুল শিকদারের কোন ছেলে থাকে না, থাকে একটি মাত্র মেয়ে। ফয়জুল শিকদার একজন বয়স্ক লোক। আফসা পেয়ে যাবে বলে ও ধারনা করেন মেহেদীর বাবা৷