বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১৬ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বাংলাদেশের মুখপত্রে আপনাকে স্বাগতম।
শিরোনাম :
পল্টনে ১মাসে ১শ৯৪জন গ্রেফতার ২৭ টি মোবাইল উদ্ধার ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত অকটেন ও পেট্রোল সংকটে ধুঁকছে নবীনগর: সক্রিয় অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট; রাতের আঁধারে বাড়তি দামে বিক্রি লক্ষীপুর পৌরসভা ফিরোজ মিয়া তৈলের পাম্পের ম্যানেজার অহিদ/ অধূদের অত্যাচারে ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে রাজধানীর কোতোয়ালী থানা এলাকায় দুর্বৃত্তদের হামলায় যুবদল নেতা গুলিবিদ্ধ নবীনগর আহমেদ প্রাইভেট হাসপাতালে সিজারের রোগীকে মেরে ফেলার অভিযোগে হাসপাতাল ভাংচুর  চিরসবুজ নায়ক আলমগীরের ৭৬তম জন্মদিন পালিত বাংলাদেশে জাপান ফাউন্ডেশনের অফিস স্থাপনে আহ্বান প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হকের বংশালে চোরাই স্বর্ণের চেইন চেক বই ও দলিল উদ্ধার- ২ জন গ্রেফতার কুমিল্লা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে জামায়াত-বিএনপি প্যানেল জয়ী

ভোলার তজুমদ্দিনে ভিজিডির চাল নিতে ৪৫০ টাকা অতিরিক্ত চাঁদা

মোঃ মহসিন (শাহীন)
  • আপডেট সময় শনিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫

ভোলা জেলার তজুমদ্দিন উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নে বিজিডি কর্মসূচির চাল উত্তোলনে ৪৫০ টাকা করে অতিরিক্ত চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মেজবা উদ্দিন সম্রাট–এর বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সকাল ১০টায় গরীব মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত চাঁদা দাবি করা হলে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী প্রতিবাদে ফেটে পড়ে এবং স্লোগান তোলে—
“শম্ভুপুরে চাঁদাবাজি চলবে না—চলবে না।”

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সচিব মেজবা উদ্দিন সম্রাট প্রায় ২০ বছর ধরে একই ইউনিয়নে থেকে বিভিন্ন সরকারি সুবিধা দিতে গিয়ে নিয়মিত অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে আসছেন।

তারা জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তজুমদ্দিন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলু দেওয়ানের সহযোগিতা ব্যবহার করে তিনি বহু বছর মানুষের কাছ থেকে অবৈধ চাঁদা নিতেন। পরবর্তীতে ইউনিয়ন পরিষদের রাছের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পরও এই চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি।

জানা যায়, সচিবকে একাধিকবার বদলি করা হয়েছে। কিন্তু তিনি প্রতি বার শম্ভুপুরে ফের ফিরে আসেন এবং রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব খাটিয়ে অব্যাহতভাবে চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছেন।

মানুষের কাছ থেকে সরাসরি টাকা সংগ্রহ করেন ইউনিয়ন পরিষদের চৌকিদার জামাল চৌকিদার।
তিনি বলেন,
“সচিবের নির্দেশে আমি টাকা নিই; এখানে আমার কোনো দোষ নেই।”

অন্যদিকে সচিব মেজবা উদ্দিন সম্রাট দাবি করেন,
“মালামাল দেখাশোনা করেন চৌকিদাররা—তাদের অতিরিক্ত খরচ হয়, তাই উপকারভোগীদের কাছ থেকে কিছু টাকা নিতে হয়।”

কিন্তু উপস্থিত স্থানীয়রা এই বক্তব্যকে মিথ্যা ও অগ্রহণযোগ্য বলে আখ্যায়িত করেন। তারা বলেন,
“চৌকিদারেরা সরকারি জনবল—তাদের বেতন সরকার দেয়। সরকারি মালামাল দিতে গিয়ে জনগণের কাছ থেকে বাড়তি টাকা নেওয়ার কোনো নিয়ম নেই।”

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক উপকারভোগী বলেন,
“উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতার প্রভাব এবং বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদের নেতাদের ছত্রছায়ায় সচিব সম্রাট লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদাবাজি করছে।”

এলাকাবাসী অনতিবিলম্বে স্বচ্ছ তদন্ত, জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা এবং উপকারভোগীদের হয়রানি বন্ধের জোর দাবি জানিয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর