লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি :
মেঘনা নদীর নাব্যতার কারণে প্রতিদিন ভোগান্তি পোহাচ্ছে লক্ষ্মীপুর-ভোলা নৌরুটের যাত্রীরা। নাব্যতার কারণে ফেরী চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছে এ রুটে। সময় মত নির্দিষ্ট গন্তব্য ফেরী না পৌঁছার কার বিপাকে পড়তে হচ্ছে মালবাহী পরিবহনগুলোর মালিক-শ্রমিকরা।
মজুচৌুরীর হাট-ভোলা নৌরুটে নাব্যতার কারণে সরকারি বাজেটে বিআইডব্লিউটিসির ড্রেজার দিয়ে ডুবো চরগুলো ড্রেজিং কাজ চলমান থাকলেও কাঙ্খিত সফলতা দৃশ্যমান না থাকলেও ড্রেজিং প্রকল্পে রয়েছে সরকারী টাকার হরিলুট।
জানাগেছে, বিআইডব্লিউটিসির ড্রেজার দায়িত্বে নিয়োজিত ইঞ্জিনিয়ার নিপুন এখানকার স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে মোটা অংকের টাকায় চুক্তিবদ্ধ হয়ে পাইপ লাইনের মাধ্যমে ব্যক্তিমালিকানা পুকুর, ডোবা ও ফসলী জমিন ভরাট করে দিচ্ছে। এ খাত থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন তিনি। অন্যদিকে সরকারী বরাদ্ধকৃত তৈল বেশি জ্বালানি দেখিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে তৈল বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। বছর জুড়ে ড্রেজিংয়ে নামে সরকারী বরাদ্ধে টাকা লুট করে নিচ্ছে, কিন্ত কাজের কাজ কিছুই হচ্ছেনা।
ফলে প্রতিদিন ভোগান্তি পোহাচ্ছে লঞ্চ যাত্রী, ফেরীতে বহনকৃত মালবাহী পরিবহন সহ মালিক ও শ্রমিক। বালুভর্তি ভলগেট, জাহাজ ও ফেরীগুলো নাব্যতার কারণে জোয়ার-বাটার সময় ডুবোচরগুলোতে ঘন্টার পর ঘন্টা আটকা পড়ে থাকে।
লঞ্চ কোম্পানিগুলো পক্ষ থেকে জানা গেছে, নদীতে ড্রেজিং দিয়ে বাণিজ্য করার কারণে চর পড়ে গেছে এতে করে পানি সংকটময় দেখা দেয় তাই লঞ্চ চলাচলে অসুবিধা এবং যাত্রী পারাপারে নৌকার সহযোগিতা নিতে হয়। ডুবো চরগুলোকে চিহ্নিত করে ড্রেজিং করলে এময় সংকট হতনা।
লঞ্চ চালক সুকানি বলেন, ডেজিং অনিয়মের কারণে হয়তো লঞ্চ যে কোনো মুহূর্তে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
ফেরির মাস্টার এবং চালকরা জানান, নদীতে সরকারি ড্রেজিং থাকার পরেও ভোগান্তিতে সব সময় থাকে এবং নদীতে জোয়ার ভাটার জন্য অপেক্ষায় থাকতে হয় এ সমাধান কি হবে।
স্থানীয়রা জানান, নদীর কুলে ড্রেজিং না করে ডুবোচরগুলো চিহ্নিত করে ড্রেজিং করলে এ সংকট অনেকটা কমে যেত। কিন্তু এখানকার দায়িত্বরত ইঞ্জিনিয়ার নিপুন সঠিক জায়গায় ড্রেজিং করছেনা। কোটি কোটি টাকা সরকারী অর্থ আত্মসাৎ করতে প্রকল্পটি দীর্ঘ মেয়াদী করার উদ্দেশ্য তার।
এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে ইঞ্জিনিয়ার নিপুন সাহেবের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি