শেখ সাজেদুল হক (বোরাক): এক কেজি দুধের পেছনে কৃষকের কতটা রক্ত পানি করতে হয়। তা ভিউ আর ডলারের হিসাব করা তথাকথিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর এনামুল বাঘা বুঝবে না।
সম্প্রতি মাদারীপুরের টেকেরহাট বন্দরে যা ঘটল, তা আমাদের পুরো সমাজের জন্য লজ্জার। তথাকথিত এক ডিজিটাল বিচারক এনামুল বাঘা কোথা থেকে এক ভেজাল মাপার ল্যাক্টোমিটার এনে প্রকাশ্যে হাটে ভোক্তা অধিকারের বিচারক সেজে বসলেন।
আশ্চর্য জনক ভাবে, সেই ল্যাক্টোমিটার শুধু গরিব অসহায় কৃষকের দুধেই শুধু ভেজাল ধরা পড়ল!
ভরা বাজারে সবার সামনে সেই দুধওয়ালার মাথায় ঢেলে দিয়ে তাকে চরম অপমান করা হলো।
অথচ প্রভাবশালী আর ও পরিচিত ব্যবসায়ীরা ঠিকই ছাড় পেয়ে গেল। তাহলে সংখ্যালঘু সনাতন ধর্মের গরীব দুধ ওয়ালা কেন ছাড় পেলো না।
ট্র্যাজেডি হলো সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা একদল মানুষ এই অন্যায় দেখে প্রতিবাদ তো করলই না, উল্টো হাততালি দিলো!
টেকেরহাটের যুবসমাজ ও সচেতন মহলের কাছে প্রশ্ন: মোবাইল আর ফেসবুক ব্যবহার কারিরা কতটা অন্ধ হয়ে গেছে, নিজের চোখের সামনে একজন অন্নদাতার এই প্রকাশ্য অপমান দেখে ও সবাই চুপ করে আছে। যদি এর প্রতিবাদ না করা হয় , তবে কাল এই অন্যায়ের শিকার আপনি বা আপনার পরিবার ও হতে পারে।
আইনের মারপ্যাঁচে হয়তো এনামুল বাঘা একটা ভুল হয়েছে বলে পার পেয়ে যাবে, কিন্তু ঐ সরল কৃষক কি তার হারিয়ে যাওয়া সম্মান ফিরে পাবে।
কৃষক সমাজের দাবি:
এই ভুয়ো অভিযানের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে হবে।
এনামুল বাঘা কে প্রকাশ্যে কৃষকের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে এবং ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
রাজৈর উপজেলার মানুষ হিসেবে আমাদের বিবেক কে জাগ্রত করে। এনামুল বাঘার মতো সস্তা ভিউ আর লাইকের লোভে আর কোন গরীব কৃষক ও মেহনতি মানুষের পেটে লাথি আর সম্মান যেন নষ্ট না হয়।
(কৃষকের সম্মান রক্ষা করুন)