শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৭ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বাংলাদেশের মুখপত্রে আপনাকে স্বাগতম।
শিরোনাম :
মজুচৌধুরীহাটে কোস্টগার্ড ও প্রশাসনের নাকের ডগায় কোটি টাকার অবৈধ তেল চোরাচালান মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় এনসিপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০; গ্রেপ্তার ৫ বিজিবি’র সঙ্গে ভারতীয় চোরাকারবারিদের গোলাগুলি;পিস্তল-গুলি-ইয়াবাসহ ভারতীয় নাগরিক আটক জেলা রেজিস্ট্রার নূর নেওয়াজ ক্ষমতার অপব্যবহার করে খামখেয়ালী ভাবে কাজী নিয়োগ, ব্যবস্থা নিতে আইন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ কাজী খোরশেদ আলম সহ সংশ্লিষ্ট পক্ষের বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ ডিএমপির মতিঝিল বিভাগে বিভিন্ন অপরাধে ৭৪ গ্রেফতার চকবাজারে ২০ ইয়াবা সহ ২জন গ্রেফতার মো: মনির হোসেনকে ডা. আনোয়ারুল আজীম ও মাহমুদুর রহমান মুরাদের শুভেচ্ছা মাদারীপুর শিবচর থানাধীন মাদবরচর ইউনিয়নের বাখরের কান্দি হইতে এক যুবতি নারীর মৃতদেহ উদ্ধার কমলনগরে ইজারা নিয়েও আতঙ্কে ব্যবসায়ী: সাবেক টোল আদায়কারী ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

‘মেয়েকে হত্যা’ করে থানায় জিডি, র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার বাবা

বাংলাদেশের মুখপত্র ডেস্ক :
  • আপডেট সময় বুধবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২১

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ  কুমিল্লার দেবিদ্বারে বাবার হাতে খুন হয় শিশু ফাহিমা (৫)—এমন দাবি র‍্যাবের। হত্যাকারী পিতা আমির হোসেনসহ কয়েকজনকে গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে কুমিল্লা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

আজ বুধবার সকালে এ তথ্য এনটিভি অনলাইনকে জানিয়েছেন র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার সহকারী পরিচালক আ ন ম ইমরান হোসেন।

আ ন ম ইমরান হোসেন বলেন, শিশু হত্যাকাণ্ড ও গ্রেপ্তারের বিষয়ে আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারের র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে বিস্তারিত জানানো হবে।

তবে র‍্যাবের অভিযানের সঙ্গে যুক্ত থাকা এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, ‘মেয়েকে হত্যার অভিযোগে আমির হোসেনসহ আরও কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।’

গত ১৪ নভেম্বর কুমিল্লার দেবিদ্বারের এলাহাবাদ ইউনিয়নের কাচিসাইর গ্রামের নজরুল মাস্টারের বাড়ির সামনের একটি ঝোপ থেকে বাজারের ব্যাগে ফাহিমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে নিহতের বাবা নিজেই থানায় অভিযোগ করেন বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

র‍্যাবের ওই সূত্রটি বলছে, শিশু ফাহিমা ৭ নভেম্বর বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। এরপর থেকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ এবং মাইকিং করে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আমির হোসেন ১১ নভেম্বর থানায় উপস্থিত হয়ে নিজেই নিখোঁজ সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

এরপর র‍্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা দল এবং র‍্যাব-১১-এর একটি দল ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তে বেরিয়ে আসতে থাকে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য। পরবর্তী সময়ে মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে শিশু ফাহিমা হত্যাকাণ্ডে জড়িত বাবা আমির হোসেনসহ অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। আমির পেশায় ট্রাক্টর চালক।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর