লক্ষীপুর জেলা প্রতিনিধি:
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার মাতব্বর হাট এখন কার্যত চাঁদা বাজদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে সকল নিয়ম-কানুন মেনে বৈধভাবে ইজারা নেওয়ার পর ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী কোনো ধরনের নিরাপত্তা কিংবা শান্তি পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিআইডব্লিউটিএ’র সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে পরিচয় দেওয়া এবং স্থানীয় সন্ত্রাসী শক্ত সেন্টিগ্রেড নিয়মিত ভাবে চাঁদা দাবি করে আসছেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ঘাট পরিচালনায় বাধা, ভয়ভীতি ও নানা ধরনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর ভাষ্য, কমলনগর উপজেলা থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পর্যন্ত সন্ত্রাসীদের সেন্টিগ্রেড দাপটে মাতব্বর হাট এলাকায় থেকে শুরু করে নবীগঞ্জ মতির হাট পর্যন্ত সাধারণ মানুষ জিম্মি হয়ে পড়েছে। বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও ইজারাদার কে অপদস্থ করা হচ্ছে, সৃষ্টি করা হচ্ছে বিভিন্ন পত্র পত্রিকা অরাজক পরিবেশ। এতে করে ঘাটের স্বাভাবিক বাণিজ্য কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এলাকাবাসী আরও অভিযোগ করেন, প্রভাবশালীদের এই প্রকাশ্য চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুল তে সাহস পাচ্ছে না। দিনের পর দিন প্রশাসনের নীরবতায় চাঁদাবাজরা আর ও বেপরোয়া হয়ে উঠছে বলে ও দাবি করেন তারা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত
বি আই ডব্লিউটি এর ফোর্ড অফিসার শাহ আলম কে সরাসরি পাওয়া যায় নি ,তার সাথে মোটো পোনে আলাপ করতে গেলে তিনি জানান বিআইডব্লিউটি ঘাটের কাগজ পাতি হাইকোর্টে ইস্টে এ করে নিয়েছেন বিভাগীয় কমিশনারের ইজারাদার মুক্তার
আমি উপরের মহল থেকে একটি কাগজ নিয়ে অনুমতি সাপেক্ষে
এক মাস টোল আদায় করেছি বিভাগীয় কমিশনারের ইজারাদার মুক্তার হোসেন আমার কাগজের উপর হাইকোর্টের রিড করে টোল আদায়ের আদেশ পেয়েছেন আমরা টোল আর আদায় করি নি আমি হাইকোর্টের আদেশ কে সম্মান জানিয়ে আমি আমার অফিস স্টাফ দের কে নিয়ে উঠে এসে ছি
বিভাগীয় কমিশনারের ইজারাদার মুক্তার হোসেন বলেন আমাকে সন্ত্রাসীরা কিছু মিডিয়া কে দিয়ে ফোন দিয়ে হয়রানি করে সন্ত্রাসীদের কে চাদা না, দেওয়া , কিন্তু সন্ত্রাসীদের সাথে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ও তাদের কে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সচেতন মহল প্রশ্ন তুলেছেন—বিভাগীয় কমিশনারের কাছ থেকে বৈধ ইজারা নেওয়ার পরও যদি একজন ব্যবসায়ী নিরাপত্তা না পান, তবে সাধারণ মানুষের অবস্থা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে?
এবং বিআইডব্লিউটি
এর ঘাট বলে কিছুই নেই, নেই কোন পল্টন আসে না লঞ্চ আসে না ফেরি একই রকম মাতাব্বরহাট নবীগঞ্জ মতির হাট,
এখন প্রশ্ন হল ইজারাদার মুক্তার গণমাধ্যম কে জানিয়েছেন আমি একজন নিরীহ অসহায় সামাজিক মানুষ সরকারি ইজা দিয়েছে আমি ইজা পেয়ে ছি এবং
মাননীয় সংসদ সদস্য ইউনিয়ন রি অনুষ্ঠানে বলেছেন বিআইডব্লিউটিএ থেকে কেউ ইজা নিলে উনি টাকা দিয়ে দিবেন ঘাট উম্মোক্ত থাক , কিন্তু আমি তো বিভাগীয় কমিশনার থেকে ইজা নিয়ে ছি এবং বিআইডব্লিউটি এর পক্ষে সন্ত্রাসী মোহল হুমকি-ধুমকি দিয়ে এক বছর থেকে দুই মাস পার করে দিয়েছে আমি ঘাট
কালেকশন পাই নি
আই নি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দুই মাস কিভাবে পাব হতাশায় ভুগ ছি সন্ত্রাসীরা কিভাবে বিয়েডব্লিউটি এ ঘাট দাবি করেন, এটা কি সন্ত্রাসী মহলের বিভাগীয় কমিশনারের ইদাদার কে হয়রানি
অবিলম্বে চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে যে কোনো সময় বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। তারা দ্রুত প্রশাসনের দৃশ্যমান হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।