বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বাংলাদেশের মুখপত্রে আপনাকে স্বাগতম।
শিরোনাম :
লালমোহনে স্থানীয় নির্বাচনে প্রতিটি ইউনিয়নে বিএনপি’র একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী সরিষাবাড়ি  পৌরসভার প্রায় সহস্রাধিক গ্রাহক পানি সংকটে বেলকুচিতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রেলওয়ের সাবেক প্রকৌশলী শাহ আলমের ইন্তেকাল, বিভিন্ন স্থানে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ছাতকের চেলা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনকারী ২৬ জনের বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলা মাদারীপুরে ভুয়া তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে ৫ কোটি টাকার মানহানি মামলা রাজধানী গুলিস্তানে চাঁদাবাজদের খুঁটির জোর কোথায় মাদারীপুর কালকিনিতে স্ত্রীকে গলাকেটে হত্যা, স্বামী আটক ডিবি কর্তৃক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পলাতক আসামি অবসরপ্রাপ্ত মেজর মোজাফফর হোসেনকে গ্রেফতার বিএসএফের বাঁধা- ৫ বছরেও শেষ হয়নি মনুর বেড়িবাঁধের কাজ

কঙ্গোতে বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত অন্তত ২০

বাংলাদেশের মুখপত্র ডেস্ক :
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২১

 আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ মধ্য আফ্রিকার দেশ ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) বন্দুকধারীদের হামলায় ২০ জন নিহত হয়েছেন। গত রোববার (২১ নভেম্বর) রাতে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায় বসবাসরত বাস্তুচ্যুত সাধারণ মানুষের ওপর এই হামলা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। আফ্রিকার এই দেশটির কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

কঙ্গোর ইতুরি প্রদেশের সামরিক সরকারের মুখপাত্র জুলস এনগঙ্গো রয়টার্সকে বলেন, কোডেকো মিলিশিয়া বাহিনীর যোদ্ধারা গত রোববার রাতে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায় অবস্থিত একটি গ্রামে হামলা চালায়। তিনি জানান, বন্দুকধারীরা ১২ জন বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করেছে। নিহতদের ৬ জনই শিশু।

তবে পরে টুইটারে দেওয়া এক বার্তায় ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর কেন্দ্রীয় সরকারের মুখপাত্র প্যাট্রিক মুয়ায়া জানান, হামলার নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ জনে। তবে নিহতের সংখ্যা আরও বেশি বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, কঙ্গোর ইতুরি প্রদেশের জুগু অঞ্চলে ২০১৭ সাল থেকে চালানো একের পর এক হামলায় কোডেকো মিলিশিয়ার যোদ্ধারা শত শত বেসামরিক মানুষকে হত্যা করেছে। এছাড়া হাজার হাজার মানুষকে তাদের বাড়ি-ঘর ছেড়ে পালিয়ে যেতেও বাধ্য করেছে গোষ্ঠীটি।

ডিআর কঙ্গোর উত্তরের সীমান্ত লাগোয়া দেশগুলো হলো উগান্ডা, রুয়ান্ডা ও বুরুন্ডি। ওই অঞ্চলে শতাধিক সশস্ত্র বিদ্রোহীগোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে। আনুষ্ঠানিক ভাবে ২০০৩ সালে গৃহযুদ্ধ শেষ হলেও এখনও এ রকম হামলা প্রায়ই হয়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর