বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪১ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বাংলাদেশের মুখপত্রে আপনাকে স্বাগতম।
শিরোনাম :
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সুবিধা বঞ্চিতদের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী গাবতলী বাস টার্মিনাল পরিদর্শনে আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনার কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়া র‍্যাব-সিআইডি-এসবিতে নতুন প্রধান, পুলিশের শীর্ষ পদে রদবদল লক্ষ্মীপুরে সমাজসেবায় সক্রিয় নেতৃত্বে মোঃ জাহিদ পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ফরিদপুরের নগরকান্দা ডাঙ্গী ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনসাধারন কে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন মোরাদ হোসেন মিয়া মৎস্য কর্মচারীর নেতৃত্বে নিষেধাজ্ঞা সময়ে নদীতে মাছ ধরার হিড়িক নবীনগরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত বাদামতলীতে ফলের গাড়িতে দেদারসে চাঁদাবাজি

নানা কর্মসূচিতে মুম্বাইয়ে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদ

বাংলাদেশের মুখপত্র ডেস্ক :
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২১

নিউজ ডেস্কঃ  ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর ভারতের মুম্বাইয়ে তাজ হোটেল ও ছত্রপতি শিবাজি রেলওয়ে স্টেশনসহ প্রায় ১২ স্থাপনায় একযোগে সন্ত্রাসী হামলায়  ১৬৬ জন নিহত হওয়ার ১৩তম বার্ষিকী বাংলাদেশে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালন করা হয়েছে।

দেশেজুড়ে পালন করা নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। ভয়াবহ এ দিনটির স্বরণে বাংলাদেশের সুশীল সমাজ, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, ছাত্র সমাজ, সন্ত্রাসবিরোধী ফোরাম এবং সর্বস্তরের নাগরিকরা একজোট হয়েছিলেন।

এদিন পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠীর ওই বর্বরোচিত হামলার নিন্দা এবং হতাহতদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তারা। আর এই হামলার পৃষ্ঠপোষকতার জন্য পাকিস্তানের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিশেষ আয়োজনের মধ্যে ছিল- একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির আয়োজনে শিল্পকলা একাডেমিতে আলোকচিত্র প্রদর্শনী। যেখানে মুম্বাই হামলার ছবি ছাড়াও ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ট্রাজেডির ছবি, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা এবং ২০১৬ সালে রাজধানীর হলি আর্টিসান হামলার ছবি প্রদর্শন করা হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী।

এ ছাড়া প্রখ্যাত থিয়েটার শিল্পীরা আবেগ ভরা অভিনয়ের মাধ্যমে মুম্বাই হামলা ঘটনা চিত্রিত করে নাটক উপস্থাপন করেন। তারা শহীদদের পাশাপাশি মুম্বাই হামলার শিকারদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

এদিকে, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ পাকিস্তান হাইকমিশনের সামনে ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ করেছে। তারা হামলার মাস্টারমাইন্ডদের আশ্রয় দিতে পাক সরকারের ভূমিকার নিন্দা জানায়। একইসঙ্গে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার জন্য বিশ্বব্যাপী প্রচেষ্টার আহ্বান জানানো হয়।

বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের আলোচনা সভা
বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরাম (বিওএএফ) ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ ও মুম্বাই হামলা’ শীর্ষক আলোচনা সভা এবং সেমিনারের আয়োজন করে, যেখানে বিশিষ্ট প্যানেলিস্টরা উপস্থিত ছিলেন।

দিবসটি উপলক্ষে রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর ও কুমিল্লা জেলায় সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠনের শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন কর্মসূচি ও বাইক র‌্যালির আয়োজন করে।

২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ে তাজ হোটেল ও ছত্রপতি শিবাজি রেলওয়ে স্টেশনসহ প্রায় ১২টি স্থাপনায় একযোগে সন্ত্রাসী হামলা হয়। এ হামলায় ১৬৬ জন নিহত হন। পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তাইয়েবার ১০ জন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সন্ত্রাসী ভারতের বাণিজ্যিক নগরীসহ প্রায় পুরো দেশকে তিন দিন ধরে অচল করে রেখেছিল।

হামলাকারীদের মধ্যে আজমল কাসাব নামে একজনকে আটক করা হয়। পরে ভারতে ২০১২ সালের ২১ নভেম্বর তার ফাঁসি কার্যকর হয়। হামলাকারীদের মধ্যে অন্যরা নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গুলিবিনিময়ে নিহত হন। পাকিস্তান প্রথম দিকে ওই হামলার সঙ্গে নিজেদের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করে। পরে কাসাব ও ওই হামলার মূল পরিকল্পনাকারীরা পাকিস্তানি নাগরিক বলে প্রমাণিত হলে পাকিস্তান বিষয়টি স্বীকার করে নেয়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর