বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বাংলাদেশের মুখপত্রে আপনাকে স্বাগতম।
শিরোনাম :
লালমোহনে স্থানীয় নির্বাচনে প্রতিটি ইউনিয়নে বিএনপি’র একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী সরিষাবাড়ি  পৌরসভার প্রায় সহস্রাধিক গ্রাহক পানি সংকটে বেলকুচিতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রেলওয়ের সাবেক প্রকৌশলী শাহ আলমের ইন্তেকাল, বিভিন্ন স্থানে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ছাতকের চেলা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনকারী ২৬ জনের বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলা মাদারীপুরে ভুয়া তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে ৫ কোটি টাকার মানহানি মামলা রাজধানী গুলিস্তানে চাঁদাবাজদের খুঁটির জোর কোথায় মাদারীপুর কালকিনিতে স্ত্রীকে গলাকেটে হত্যা, স্বামী আটক ডিবি কর্তৃক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পলাতক আসামি অবসরপ্রাপ্ত মেজর মোজাফফর হোসেনকে গ্রেফতার বিএসএফের বাঁধা- ৫ বছরেও শেষ হয়নি মনুর বেড়িবাঁধের কাজ

বাঁশেরপুলের কালভার্টটি এখন দুর্ভোগের কাঁটা

বাংলাদেশের মুখপত্র ডেস্ক :
  • আপডেট সময় শনিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২২

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার হরিণচড়া ইউনিয়নের হরিহারা গ্রামের বাঁশেরপুলের কালভার্ট দিয়ে যাতায়াত করে লাখো মানুষ। শুকনো মৌসুমে হেঁটে কিংবা বাইসাইকেল ব্যবহার করে চলাচল করা গেলেও বৃষ্টিতে একেবারেই চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। 

এদিকে কালভার্ট ব্যবহার করতে না পারায় মালামাল নিয়ে চলাচলকারী ভ্যান, পিকআপ কিংবা ট্রাকগুলোকে চার কিলোমিটার ঘুরে উঠতে হচ্ছে নীলফামারী-ডোমার প্রধান সড়কে। এছাড়া দেবে যাওয়ায় প্রায় দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে পথচারীরা।

এই পথ দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করেন ভ্যানচালক নূর হোসেন। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, খালি ভ্যান নিয়ে কালভার্টের ওপর দিয়ে আসাও কষ্টকর। এমনভাবে দেবে গেছে ভ্যান নামালে উল্টে পড়ার উপক্রম হয়। কোনো রকমে অন্যের সহায়তা নিয়ে ভ্যান নামিয়ে উঠাতে হয়।

সোনারায় ইউনিয়নের ডুগডুগি এলাকার বাসিন্দা রমজান আলী ঢাকা পোস্টকে বলেন, ২০১৭ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় কালভার্টটি। তারপরও চলাচল করা যেত। কিন্তু কিছু দিন হলো ভেঙে দেবে যাওয়ায় আর চলাচল করা যায় না। হেঁটে যাওয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই।

স্থানীয় বাসিন্দা পরেশ দাস ঢাকা পোস্টকে বলেন, এখান থেকে কিছুটা দূরে স্কুল রয়েছে। বৃষ্টি হলে জমাট হয়ে থাকে পানি। ছোট ছোট ছেলে-মেয়ে স্কুলে যেতে পারে না। মালামাল নিয়ে ভ্যান, পিকআপ কিংবা ট্রাকগুলোকে চার কিলোমিটার ঘুরে নীলফামারী-ডোমার প্রধান সড়কে উঠতে হয়। বিশেষ করে হরিণচড়া বাজারে যাতায়াতকারীদের যেন বিড়ম্বনার শেষ নেই।

স্থানীয়রা জানায়, কালভার্টটি কলমদার নদীর ওপর অবস্থিত। সম্প্রতি নদী খনন করায় পানিতে স্রোত বৃদ্ধি পায়। নদীতে পানি বাড়ার ফলে কালভার্টটি দেবে ভেঙে যায়। এরপর থেকে এটি চলাচলের জন্য ঝুঁকি হয়ে দাঁড়ায়।

ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম জানান, কালভার্টটি ভেঙে পড়ায় ব্যবসায়ীদের অনেক দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে। মালামাল আনা-নেওয়া কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক সময় ঝুঁকি নিয়ে ভ্যানে মালামাল নিয়ে আসা হলেও কালভার্ট পার হতে গিয়ে ভ্যান উল্টে যায়। দ্রুত এটি সংস্কার কিংবা নতুনভাবে তৈরি করা দরকার।

উপজেলা প্রকৌশলী মোস্তাক আহমেদ জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে একটি প্রকল্প তৈরি করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদন পেলে সেখানে নতুন করে কালভার্ট নির্মাণ কাজ শুরু হবে।

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ বলেন, সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে কয়েকটি ইউনিয়নের মানুষ। তাই দ্রুত সময়ের মধ্য কলন্দর নদীর ওপর ক্ষতিগ্রস্ত কালভার্ট নির্মাণ করতে জেলা পরিষদ ও প্রশাসনকে অবগত করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর