শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪০ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বাংলাদেশের মুখপত্রে আপনাকে স্বাগতম।
শিরোনাম :
রাজশাহীর দুর্গাপুরে বিএনপি নেতাকে বহিষ্কার : শিক্ষিকার সাথে অশোভন আচরণ ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে খামারিদের সাথে আলোচনা সভা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সাংবাদিক হেনস্তার ঘটনায় ভূমি কর্মকর্তা স্ট্যান্ড রিলিজ সংরক্ষিত আসনে এমপি হচ্ছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রীর মেয়ে জহরত আদিব পল্টনে ১মাসে ১শ৯৪জন গ্রেফতার ২৭ টি মোবাইল উদ্ধার ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত অকটেন ও পেট্রোল সংকটে ধুঁকছে নবীনগর: সক্রিয় অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট; রাতের আঁধারে বাড়তি দামে বিক্রি লক্ষীপুর পৌরসভা ফিরোজ মিয়া তৈলের পাম্পের ম্যানেজার অহিদ/ অধূদের অত্যাচারে ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে রাজধানীর কোতোয়ালী থানা এলাকায় দুর্বৃত্তদের হামলায় যুবদল নেতা গুলিবিদ্ধ

পয়লা বৈশাখ বাঙালির জাতীয় জীবনে পরম আনন্দের দিন : রাষ্ট্রপতি

বাংলাদেশের মুখপত্র ডেস্ক :
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, পয়লা বৈশাখ বাঙালির জাতীয় জীবনে পরম আনন্দের দিন। আনন্দঘন এ দিনে দেশে ও দেশের বাইরে বসবাসরত সব বাংলাদেশিকে বাংলা নবর্ষের শুভেচ্ছা। তিনি বলেন, এ দিনে চির নতুনের বার্তা নিয়ে আমাদের জীবনে বেজে ওঠে বৈশাখের আগমনি গান। দুঃখ, জরা, ব্যর্থতা ও মলিনতাকে ভুলে সবাই জেগে ওঠে মহানন্দে। বাঙালি জাতির শাশ্বত ঐতিহ্যের প্রধান অঙ্গ পয়লা বৈশাখ। ফসলি সন হিসেবে মোঘল আমলে যে বর্ষ গণনার সূচনা হয়েছিল, সময়ের পরিক্রমায় তা আজ সমগ্র বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক স্মারক উৎসবে পরিণত হয়েছে। পয়লা বৈশাখের মাঝে বাঙালি খুঁজে পায় নিজস্ব ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও চেতনার স্বরূপ।

তিনি বলেন, বৈশাখ শুধু উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের আত্মবিকাশ ও বেড়ে ওঠার প্রেরণা। বাঙালি জাতির অসাম্প্রদায়িক চেতনায় চিড় ধরাতে ১৯৫৮ সালে পাকিস্তানি সামরিক সরকার বাংলা নববর্ষ উদযাপনসহ সব গণমুখী সংস্কৃতির অনুশীলন সরকারিভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। সরকারের এ নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ ধর্মীয় ও গোষ্ঠীগত ভেদাভেদ ভুলে নববর্ষ উদযাপনে এক কাতারে শামিল হন। সে সময় বাঙালি সংস্কৃতির বিকাশ, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মুক্তিসাধনায় পয়লা বৈশাখ ছিল মূল শক্তি। বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে সংস্কৃতির এই শক্তি রাজনৈতিক চেতনাকে দৃঢ় ও বেগবান করেছিল।

আবদুল হামিদ বলেন, ২০১৬ সালে ইউনেস্কো থেকে পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। জাতীয় সংস্কৃতির এ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি জাতি হিসেবে বাঙালির জন্য পরম গৌরব ও মর্যাদার। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাষ্ট্রদর্শন এবং আদর্শের অন্যতম ভিত্তি ছিল দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশ ও জাতীয় চেতনার উন্মেষ। বঙ্গবন্ধু কারারুদ্ধ জীবনে সহবন্দিদের নিয়ে যে নববর্ষ উদযাপন করেছিলেন সেখানে এ চেতনাই ক্রিয়াশীল ছিল।

তিনি বলেন, পয়লা বৈশাখ আমাদের উদার হতে শিক্ষা দেয় এবং জাতীয়তাবাদে উজ্জীবিত হয়ে বিশ্বমানবের সঙ্গে মিশে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়। এ উদারনৈতিক চেতনাকে ধারণ করে বঙ্গবন্ধুর রাষ্ট্রদর্শন, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আদর্শ এবং রাষ্ট্রভাষা চেতনার বহ্নিশিখা অন্তরে ধারণ করে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণ হোক আজকের দিনে সবার অঙ্গীকার। সব অশুভ ও অসুন্দরের ওপর সত্য ও সুন্দরের জয় হোক। ফেলে আসা বছরের সব শোক-দুঃখ-জরা দূর হোক, নতুন বছর নিয়ে আসুক সুখ ও সমৃদ্ধি- এ প্রত্যাশা করেন তিনি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর