মোঃ কামাল হোসেন:
লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি: অহিদ উদ্দিন ওদুদ ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ফিরোজ মিয়ার তৈলের পাম্পে দীর্ঘদিন থেকে দায়িত্ব পালন করেন কিন্তু এ অদূদ নিজের কিছু মোটর বাইকের মাধ্যমে পাম্প থেকে তৈল নিয়ে বাইরে বিক্রি করেন অভিযোগ এলাকাবাসীর শুধু তাই না ওদুদ তৈলের সংকট অবস্থায় নানা রূপ ধারণ করে মোটর বাইকের টাংকি খুলে তার লোকজন দিয়ে তৈল পাম্প থেকে বিভিন্ন ভাব ভঙ্গিমায় পাম্প থেকে তৈল সরিয়ে নেন অন্যদিকে নিজের আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুবান্ধব সিরিয়ালে না দাঁড়িয়ে তৈল বিক্রি করছেন বলে গ্রাহকদের কে বুঝান এবং মোটর বাইকেরদের কে বাইকের লম্বা সিরিয়াল ধরিয়ে রাতে থেকে সকাল পর্যন্ত থাকেন সকাল থেকে রাত্রি পর্যন্ত থাকে দিনশেষে তারা ফিরে যেতে হয় তিনি জানিয়ে দেন তৈল থাকলেও দেওয়া যাবে না প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা আছে কিন্তু প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞার কোনো কাগজ উনি কাউকে দেখাতে পারেন নি এগুলি উনি উনার মতন করে আইনি প্রক্রিয়া সাজিয়ে নেন উপস্থিত থাকেন সরকারিভাবে প্রশাসন এবং ট্রেক অফিসার উনি ওনাদের কথা পর্যন্ত মানে না কিন্তু উনি দেখান প্রশাসন ও ট্রেক অফিসারের কথা তো উনি পামটি চালায় রাখেন উনি উনার মত করে চালিয়ে যান মনে হয় যেন উনি পাম্পের মালিক এবং কেউ কিছু বলতে গেলে তাদেরকে তিনি তার লোকজন দিয়ে অপমান অপদস্ত করে পাম্পথেকে বাহির করে দেন এবং উনি ওনার পরিচিত আত্মীয়-স্বজনের বাইক গুলি তৈল দেবার জন্য সামনে রেখে পাশেভর্তি ব্যবসায়ীদের দোকানের সামনে মোটর বাইক দিয়ে সিরিয়াল করে ব্যবসায়ীদের ব্যবসা বন্ধ করে দেন ওদুদ কে বলতে গেলে উনি বলেন যে মোটর বাইক যারা রেখেছে তাদেরকে দিয়ে দোকান পাট ভেঙ্গে দেবে পাশের ব্যবসায়ীদের অভিযোগ থাকে যদি উনি সিরিয়ালে ঠিকমতো মোটরবাই কে তৈল দিয়ে দিতেন তাহলে আমাদের দোকানের সামনে মোটরবাইক জড়ো হতো না আমরা ব্যবসা করতে পারতাম আগের মতো করে বাইকাররা হয়রানি শিকার হয়ে মারামারি সৃষ্টি হয় এতে করে পাশের ব্যবসায়ীরা বিতিকর আতঙ্কে ভোগেন মারামারি ব্যবস্থা হয়ে যায় এবং হয়রানি মূলক মামলা দিবেন বলে পাশেভর্তি ব্যবসায়ীদের কে উনার লোকজন দিয়ে হুমকি দিচ্ছেন তাই এলাকাবাসী ও পাশের ব্যাবসায়ীদের আশা করেন অদূতকে মিডিয়ার বিভিন্ন ক্যামেরায় বিভিন্ন সময় অপরাধ বন্দী হয়ে আছে এবং প্রশাসনের নজর যেন অদূদের উপরে নজর রাখে আরো আশা থাকে যে অদুদ কে পাম্প থেকে আইনি প্রক্রিয়া এনে বিচার করা হবে