বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বাংলাদেশের মুখপত্রে আপনাকে স্বাগতম।
শিরোনাম :
পল্টনে ১মাসে ১শ৯৪জন গ্রেফতার ২৭ টি মোবাইল উদ্ধার ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত অকটেন ও পেট্রোল সংকটে ধুঁকছে নবীনগর: সক্রিয় অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট; রাতের আঁধারে বাড়তি দামে বিক্রি লক্ষীপুর পৌরসভা ফিরোজ মিয়া তৈলের পাম্পের ম্যানেজার অহিদ/ অধূদের অত্যাচারে ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে রাজধানীর কোতোয়ালী থানা এলাকায় দুর্বৃত্তদের হামলায় যুবদল নেতা গুলিবিদ্ধ নবীনগর আহমেদ প্রাইভেট হাসপাতালে সিজারের রোগীকে মেরে ফেলার অভিযোগে হাসপাতাল ভাংচুর  চিরসবুজ নায়ক আলমগীরের ৭৬তম জন্মদিন পালিত বাংলাদেশে জাপান ফাউন্ডেশনের অফিস স্থাপনে আহ্বান প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হকের বংশালে চোরাই স্বর্ণের চেইন চেক বই ও দলিল উদ্ধার- ২ জন গ্রেফতার কুমিল্লা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে জামায়াত-বিএনপি প্যানেল জয়ী

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার মাতব্বর হাট এখন কার্যত চাঁদাবাজদের অভয়ারণ্যে

বাংলাদেশের মুখপত্র ডেস্ক :
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

লক্ষীপুর জেলা প্রতিনিধি:
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার মাতব্বর হাট এখন কার্যত চাঁদাবাজদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে সকল নিয়ম-কানুন মেনে বৈধভাবে ইজারা নেওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী কোনো ধরনের নিরাপত্তা কিংবা শান্তি পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিআইডব্লিউটিএ’র সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে পরিচয় দেওয়া এবং স্থানীয় জামায়াত নেতা হিসেবে পরিচিত লোকমান মাস্টার নিয়মিতভাবে চাঁদা দাবি করে আসছেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে হাট পরিচালনায় বাধা, ভয়ভীতি ও নানা ধরনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর ভাষ্য, লোকমান মাস্টারের দাপটে মাতব্বর হাট এলাকায় সাধারণ মানুষ জিম্মি হয়ে পড়েছে। বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও ইজারাদারকে অপদস্থ করা হচ্ছে, সৃষ্টি করা হচ্ছে অরাজক পরিবেশ। এতে করে ঘাটের স্বাভাবিক বাণিজ্য কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এলাকাবাসী আরও অভিযোগ করেন, প্রভাবশালীদের এই প্রকাশ্য চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। দিনের পর দিন প্রশাসনের নীরবতায় চাঁদাবাজরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে বলেও দাবি করেন তারা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত লোকমান মাস্টারের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সচেতন মহল প্রশ্ন তুলেছেন বিভাগীয় কমিশনারের কাছ থেকে বৈধ ইজারা নেওয়ার পরও যদি একজন ব্যবসায়ী নিরাপত্তা না পান, তবে সাধারণ মানুষের অবস্থা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে?

অবিলম্বে চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে যে কোনো সময় বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। তারা দ্রুত প্রশাসনের দৃশ্যমান হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর