বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বাংলাদেশের মুখপত্রে আপনাকে স্বাগতম।
শিরোনাম :
ছাতকের চেলা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনকারী ২৬ জনের বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলা মাদারীপুরে ভুয়া তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে ৫ কোটি টাকার মানহানি মামলা রাজধানী গুলিস্তানে চাঁদাবাজদের খুঁটির জোর কোথায় মাদারীপুর কালকিনিতে স্ত্রীকে গলাকেটে হত্যা, স্বামী আটক ডিবি কর্তৃক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পলাতক আসামি অবসরপ্রাপ্ত মেজর মোজাফফর হোসেনকে গ্রেফতার বিএসএফের বাঁধা- ৫ বছরেও শেষ হয়নি মনুর বেড়িবাঁধের কাজ রাজৈরে ভূমিহীনদের ঘর পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাসে টাকা আদায় ও শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগ পুলিশের মনোবল ভাঙতেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে :ডিসি তারেক বেগ ব্যারিস্টার জমির উদ্দীনের মৃত্যুতে ধর্মমন্ত্রীর শোক দেবিদ্বার মোঃ আল রামিম ও জান্নাতুল ফেরদৌসের প্রেমের করুন কাহিনী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৪ ইউপি চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা বরখাস্ত

বাংলাদেশের মুখপত্র ডেস্ক :
  • আপডেট সময় শনিবার, ২ মে, ২০২৬

মো: লুৎফর রহমান (খাজা শাহ্): ভুয়া জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সনদ জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করে লক্ষ্যমাত্রা পূরণের অভিযোগের তদন্তে সত্যতা পাওয়ার  ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চারটি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।
তার পাশাপাশি কেন তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না, সে বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশও দেওয়া হয়েছে।

বরখাস্ত হওয়া চেয়ারম্যানরা হলেন- সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমডি নাসির উদ্দিন, বুধল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান, কসবা উপজেলার কুটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফারুক ইসলাম এবং আশুগঞ্জ উপজেলার চরচারতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফাইজুর রহমান।

অপরদিকে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মধ্যেও রয়েছেন কুটি ইউনিয়নের কাজী তাজউদ্দিন আহমেদ, সাদেকপুরের মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, বুধলের মো. হাসান ভূঁইয়া এবং চরচারতলার মো. রাসেল মাহমুদ।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ভুয়া জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন সনদ সৃষ্টির মাধ্যমে সরকারি লক্ষ্যমাত্রা পূরণের অভিযোগ ওঠার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হয়।

সরেজমিন অনুসন্ধানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় জেলা প্রশাসক একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠান।

এর পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় চার চেয়ারম্যানকে সাময়িক বরখাস্ত করে এবং পত্রপ্রাপ্তির ১০ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের লিখিতভাবে কারণ দর্শাতে নির্দেশ দেয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।

জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম  এক স্বাক্ষাতে এ প্রতিবেদক দৈনিক নবঅভিযান এর সহকারী সম্পাদক ও বাংলাদেশের মুখপত্র ডট কম এর সহযোগী সম্পাদক মো: লুৎফর রহমান (খাজা শাহ) কে জানান যে, গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি তদন্ত করা হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। সেই প্রতিবেদন অনুযায়ী মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে সাময়িক বরখাস্তের প্রজ্ঞাপন বুধবার আমরা পেয়েছি। পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর