বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বাংলাদেশের মুখপত্রে আপনাকে স্বাগতম।
শিরোনাম :
লালমোহনে স্থানীয় নির্বাচনে প্রতিটি ইউনিয়নে বিএনপি’র একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী সরিষাবাড়ি  পৌরসভার প্রায় সহস্রাধিক গ্রাহক পানি সংকটে বেলকুচিতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রেলওয়ের সাবেক প্রকৌশলী শাহ আলমের ইন্তেকাল, বিভিন্ন স্থানে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ছাতকের চেলা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনকারী ২৬ জনের বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলা মাদারীপুরে ভুয়া তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে ৫ কোটি টাকার মানহানি মামলা রাজধানী গুলিস্তানে চাঁদাবাজদের খুঁটির জোর কোথায় মাদারীপুর কালকিনিতে স্ত্রীকে গলাকেটে হত্যা, স্বামী আটক ডিবি কর্তৃক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পলাতক আসামি অবসরপ্রাপ্ত মেজর মোজাফফর হোসেনকে গ্রেফতার বিএসএফের বাঁধা- ৫ বছরেও শেষ হয়নি মনুর বেড়িবাঁধের কাজ

রাজৈরে কোরবানীর পশুর চামড়ার বর্জ্য ফেলার কারণে মারা গেল ১০ লাখ টাকার মাছ

বাংলাদেশের মুখপত্র ডেস্ক :
  • আপডেট সময় রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬

শেখ সাজেদুল হক (বোরাক) স্টাফ রিপোর্টার: মাদারীপুর জেলাধীন রাজৈর উপজেলার নয়াকান্দি (সুইসগেট) গ্রামের নুর ইসলাম শেখের পুকুরে কোরবানীর পশুর চামড়ার বর্জ্য ফেলার কারণে প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার মাছ মারা গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক চামড়া ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। গতকাল শনিবার (৩০ মে) সকাল থেকে রাজৈর উপজেলার নয়াকান্দি (সুইসগেট) গ্রামের নুর ইসলাম শেখের একটি পুকুরে মাছ মরে ভাসতে শুরু করে। 
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজৈর উপজেলার নয়াকান্দি (সুইসগেট) গ্রামের নুর ইসলাম শেখ সরকারী লীজ নিয়ে গত দুই বছর যাবৎ মাছ চাষ করে আসছেন। ঈদের দিন দুপুর থেকে স্থানীয় চামড়া ব্যবসায়ী হারুন ফকির কোরবানীর পশুর চামড়া কিনে এই পুকুরের পাশের একটি দোকানঘরে সংরক্ষণ করেন। পরে পুকুওে ফেলা হয় চামড় থেকে ছাটাই করা লবণাক্ত বর্জ্য। এতে পানি দূষিত হলে গতকাল শনিবার সকাল থেকে একে একে ভেসে উঠতে শুরু করে রুই, কাতলা, তেলাপিয়া, শিংসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। এতে করে মারা যায় পুকুরে থাকা প্রায় ১০ লাখ টাকার মাছ।
ক্ষতিগ্রস্থ মৎস্য চাষী নুর ইসলাম বলেন, আমার প্রায় ১০ লাখ টাকার মাছ মারা গেছে। ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে মাছ চাষ করেছি। মাছ বিক্রি করে ঋণের টাকা পরিশোধ করার পরিকল্পনা ছিল। এখন আমি এই ক্ষতি কি করে কাটিয়ে উঠবো? আমি এই ঘটনার বিচার চাই এবং আমার ক্ষতিপূরণ চাই।
অভিযুক্ত চামড়া ব্যবসায়ী হারুন ফকির বলেন, আমার দ্বারা মাছচাষী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। তার সাথে কথা বলে তার চাওয়া অনুযায়ী ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়া হবে।
রাজৈর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আমিনুল ইসলাম বলেন, মাছ মেরে ফেলা ফৌজদারী অপরাধ। কোনো অবস্থাতেই অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর