স্টাফ রিপোর্টার : সহকারী শিক্ষক মুন্নি আক্তার ক্লাস চলাকালীন উত্তেজনা বশত: ৪র্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী তাওফিকা হাসনাতকে বেত্রাঘাত করায় গুরুতর আহত হয়। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীর মা প্রধান শিক্ষককে অবগত করে আজ সোমবার দুপুরে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেন।
ঘটনাটি ঘটে, গতকাল রোববার লক্ষ্মীপুর সদর
উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নের দিলশাদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, দিলশাদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী তাওফিকা হাসনাতকে শ্রেণী কক্ষে সহকারী শিক্ষিকা মুন্নি আক্তার তিন পৃষ্ঠা পড়ার মধ্যে দুই পৃষ্ঠা না পারায় তার হাতে থাকা ডিস লাইনের তার দিয়ে তৈরীকৃত বেত দিয়ে বেত্রাঘাত করেন। পরবর্তীতে সহপাঠীরা তার হাতে পানি ঢেলে ব্যাথা নিরাময়ের চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে শ্রেণী কক্ষে শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাৎক্ষনিক শিক্ষিকা ক্লাস থেকে চলে যান।
এছাড়াও জানা যায়, সহকারী শিক্ষক মুন্নী আক্তার ২০১৫ সাল থেকে এ স্কুলে আছেন। একই স্থানে দীর্ঘ দিন থাকার কারনে বিভিন্নভাবে প্রভাব বিস্তার করেন। কথা-বার্তা বলার সময় কাউকে কোন দাম দেই না। এছাড়াও অনেকে বলেন তার মানসিক সমস্যা রয়েছে, একারনে প্রায় সময় শিক্ষার্থীদের অযথা মারধর করেন।
এব্যাপারে দিলশাদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে সহকারী শিক্ষিকা মুন্নি আক্তারের কাছে জানতে চাইলে তিনি এব্যাপারে কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: সালা উদ্দিন বলেন, ঘটনাটি সত্য কিন্তু সহকারী শিক্ষিকা এভাবে বেত্রাঘাত করা ঠিক হয়নি।