শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বাংলাদেশের মুখপত্রে আপনাকে স্বাগতম।
শিরোনাম :
আবাসিক হোটেল শিখর ইন্টা মালিক নুর আলমের খুটির জোর কোথায় গুলিস্তানে এক মাসে ৭৭ জন গ্রেফতার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে এ্যানি, স্থানীয় সরকারে সালাহউদ্দিন শিক্ষিকার বেত্রাঘাতে শিক্ষার্থী আহত লালমোহনে প্রবাসী মায়ের ২২ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল। এখন জায়গা দখলেরও চেষ্টার অভিযোগ হোটেল শীতলক্ষ্যায় অসামাজিক কার্যকলাপ ও মাদক সেবন সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে নির্বাচিত বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি এবং মাদার্স কমিটির মতবিনিময় সভা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মজুচৌধুরীর হাটে চলছে অবৈধ স্পিডবোট, নেপথ্যে শক্তিশালী সিন্ডিকেট ও মাদকের রমরমা কারবার মাদারীপুরের ডাসারে জমকালো আয়োজনে রিপোর্টার্স ইউনিটির ১৫ সদস্যের নতুন সংশোধিত কমিটি গঠিত মোকামতলা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটিতে স্থান পাওয়ায় দেউলী ইউনিয়নের নেতাদের সংবর্ধনা

আবাসিক হোটেল শিখর ইন্টা মালিক নুর আলমের খুটির জোর কোথায়

বাংলাদেশের মুখপত্র ডেস্ক :
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬
  1. রিপোর্টর সোহেল আহমেদ :

    ‎ মালিবাগে শিখর ইন্টা নামে একটি আবাসিক হোটেলে চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ রমরমা মাদকের আখড়া। বেশ কয়েকজন নারী পাচারকারী ও দালাল মিলে মালিবাগের মতো একটি ব্যস্ততম এলাকায় গড়ে তুলেছেন এই মিনি পতিতালয়। শিখর ইন্টা আবাসিক হোটেল নামক পতিতালয় এর ভাড়াটিয়া ও অর্থের যোগানদাতা মালিকগণের পরিচয় উঠে এসেছে আমাদের অনুসন্ধানে, যাদের মধ্যে অন্যতম  হচ্ছে হোটেল শিখর ইন্টা আবাসিকে বিভিন্ন দালাল দ্বারা নানা কৌশলে মেয়েদের চাকুরী, প্রেম, বিয়ে মডেল বানানোর প্রলোভনে এনে কৌশলে খদ্দেরদের হাতে তুলে দেয়া হয়। এবং সেখানে নারীদের দেহ ব্যবসা করতে বাধ্য করা হয়।

    ‎অনেক মেয়েকে চাকুরীর কোন বোন দেখিয়ে এই আবাসিক হোটেলে এনে আটকে রেখে অসামাজিক কাজে লিপ্ত হতে বাধ্য করা হয়। কেউ করতে না চাইলে তাদের বিভিন্ন শারীরিক মানসিক নির্যাতন পূর্বক বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।


    ‎ সেখানে কিছুদিন আটক রেখে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে দেহ ব্যবসা করানোর পর এক পর্যায়ে যে সকল নারীরা পাঁচারকারী দালালদের বশে আসে তাদের দেশ বিদেশের বিভিন্ন পতিতালয়ে পুনরায় পাঁচার করা হচ্ছে।


    ‎এই বিষয়ে শিখর ইন্টা আবাসিক হোটেলের, মালিক নুর আলম  সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, পুলিশ,র্যাব, সিআইডি, ডিবি কাউকে আমার গোনার সময় নাই। ঊর্ধ্বতন মহলে সবাইকে ম্যানেজ করেই আমি এই প্রতিষ্ঠান চালাই।
    ‎এছাড়া বিভিন্ন বাহিনীর নাম ধরে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন তিনি।

    ‎ কৌশলে খদ্দের বেশে প্রবেশ করে উল্লেখিত নারীদের কাছ থেকে জানতে পারে তাদের বিভিন্ন লোমহর্ষক নির্যাতনের কথা এবং এখান থেকে দালালরা ঢাকা শহরের অসামাজিক কার্যকলাপ চলা আবাসিক হোটেলগুলোতে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল হতে প্রতিদিন প্রায় অর্ধশত নারীকে নানা প্রলোভনে সংগ্রহ করে হোটেলগুলোতে এনে আটক করে দেহ ব্যবসায়ী কর্মজীবী বানাচ্ছে।


    ‎ঐ সকল নারীরা অসামাজিক কার্যকলাপ করতে না চাইলে তাদের দিয়ে করানো অসামাজিক কার্যকলাপ এর দৃশ্য গোপন ক্যামেরায় ধারণ করে রাখা ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাদের বাধ্য করা হয় এ সকল দালাল চক্রের দেশের বিভিন্ন আবাসিক হোটেল ও পতিতালয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ করাতে। এতসব অপরাধ করেও বহাল তবিয়তে রয়েছে হোটেল শিখর ইন্টা আবাসিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত হস্তক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।। প্রথম পর্ব

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর