বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:২৫ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বাংলাদেশের মুখপত্রে আপনাকে স্বাগতম।
শিরোনাম :
শিক্ষিকার বেত্রাঘাতে শিক্ষার্থী আহত লালমোহনে প্রবাসী মায়ের ২২ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল। এখন জায়গা দখলেরও চেষ্টার অভিযোগ হোটেল শীতলক্ষ্যায় অসামাজিক কার্যকলাপ ও মাদক সেবন সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে নির্বাচিত বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি এবং মাদার্স কমিটির মতবিনিময় সভা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মজুচৌধুরীর হাটে চলছে অবৈধ স্পিডবোট, নেপথ্যে শক্তিশালী সিন্ডিকেট ও মাদকের রমরমা কারবার মাদারীপুরের ডাসারে জমকালো আয়োজনে রিপোর্টার্স ইউনিটির ১৫ সদস্যের নতুন সংশোধিত কমিটি গঠিত মোকামতলা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটিতে স্থান পাওয়ায় দেউলী ইউনিয়নের নেতাদের সংবর্ধনা সাংবাদিকদের সাথে ৫ লাখ টাকার রফা, বিনিময়ে চেয়ারম্যানগিরি ফেরানোর চুক্তি! ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি বা এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন মো. ফজলুল হক বিগত ১৬ বছর ধরে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়েই জুলাইয়ের ভিত্তি রচিত হয়েছে– মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি

শিক্ষিকার বেত্রাঘাতে শিক্ষার্থী আহত

বাংলাদেশের মুখপত্র ডেস্ক :
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার : সহকারী শিক্ষক মুন্নি আক্তার ক্লাস চলাকালীন উত্তেজনা বশত: ৪র্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী তাওফিকা হাসনাতকে বেত্রাঘাত করায় গুরুতর আহত হয়। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীর মা প্রধান শিক্ষককে অবগত করে আজ সোমবার দুপুরে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেন।

ঘটনাটি ঘটে, গতকাল রোববার লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নের দিলশাদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, দিলশাদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী তাওফিকা হাসনাতকে শ্রেণী কক্ষে সহকারী শিক্ষিকা মুন্নি আক্তার তিন পৃষ্ঠা পড়ার মধ্যে দুই পৃষ্ঠা না পারায় তার হাতে থাকা ডিস লাইনের তার দিয়ে তৈরীকৃত বেত দিয়ে বেত্রাঘাত করেন। পরবর্তীতে সহপাঠীরা তার হাতে পানি ঢেলে ব্যাথা নিরাময়ের চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে শ্রেণী কক্ষে শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাৎক্ষনিক শিক্ষিকা ক্লাস থেকে চলে যান।
এছাড়াও জানা যায়, সহকারী শিক্ষক মুন্নী আক্তার ২০১৫ সাল থেকে এ স্কুলে আছেন। একই স্থানে দীর্ঘ দিন থাকার কারনে বিভিন্নভাবে প্রভাব বিস্তার করেন। কথা-বার্তা বলার সময় কাউকে কোন দাম দেই না। এছাড়াও অনেকে বলেন তার মানসিক সমস্যা রয়েছে, একারনে প্রায় সময় শিক্ষার্থীদের অযথা মারধর করেন।
এব্যাপারে দিলশাদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে সহকারী শিক্ষিকা মুন্নি আক্তারের কাছে জানতে চাইলে তিনি এব্যাপারে কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: সালা উদ্দিন বলেন, ঘটনাটি সত্য কিন্তু সহকারী শিক্ষিকা এভাবে বেত্রাঘাত করা ঠিক হয়নি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর