শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বাংলাদেশের মুখপত্রে আপনাকে স্বাগতম।
শিরোনাম :
মজুচৌধুরীহাটে কোস্টগার্ড ও প্রশাসনের নাকের ডগায় কোটি টাকার অবৈধ তেল চোরাচালান মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় এনসিপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০; গ্রেপ্তার ৫ বিজিবি’র সঙ্গে ভারতীয় চোরাকারবারিদের গোলাগুলি;পিস্তল-গুলি-ইয়াবাসহ ভারতীয় নাগরিক আটক জেলা রেজিস্ট্রার নূর নেওয়াজ ক্ষমতার অপব্যবহার করে খামখেয়ালী ভাবে কাজী নিয়োগ, ব্যবস্থা নিতে আইন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ কাজী খোরশেদ আলম সহ সংশ্লিষ্ট পক্ষের বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ ডিএমপির মতিঝিল বিভাগে বিভিন্ন অপরাধে ৭৪ গ্রেফতার চকবাজারে ২০ ইয়াবা সহ ২জন গ্রেফতার মো: মনির হোসেনকে ডা. আনোয়ারুল আজীম ও মাহমুদুর রহমান মুরাদের শুভেচ্ছা মাদারীপুর শিবচর থানাধীন মাদবরচর ইউনিয়নের বাখরের কান্দি হইতে এক যুবতি নারীর মৃতদেহ উদ্ধার কমলনগরে ইজারা নিয়েও আতঙ্কে ব্যবসায়ী: সাবেক টোল আদায়কারী ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

কঙ্গোতে বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত অন্তত ২০

বাংলাদেশের মুখপত্র ডেস্ক :
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২১

 আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ মধ্য আফ্রিকার দেশ ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) বন্দুকধারীদের হামলায় ২০ জন নিহত হয়েছেন। গত রোববার (২১ নভেম্বর) রাতে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায় বসবাসরত বাস্তুচ্যুত সাধারণ মানুষের ওপর এই হামলা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। আফ্রিকার এই দেশটির কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

কঙ্গোর ইতুরি প্রদেশের সামরিক সরকারের মুখপাত্র জুলস এনগঙ্গো রয়টার্সকে বলেন, কোডেকো মিলিশিয়া বাহিনীর যোদ্ধারা গত রোববার রাতে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায় অবস্থিত একটি গ্রামে হামলা চালায়। তিনি জানান, বন্দুকধারীরা ১২ জন বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করেছে। নিহতদের ৬ জনই শিশু।

তবে পরে টুইটারে দেওয়া এক বার্তায় ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর কেন্দ্রীয় সরকারের মুখপাত্র প্যাট্রিক মুয়ায়া জানান, হামলার নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ জনে। তবে নিহতের সংখ্যা আরও বেশি বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, কঙ্গোর ইতুরি প্রদেশের জুগু অঞ্চলে ২০১৭ সাল থেকে চালানো একের পর এক হামলায় কোডেকো মিলিশিয়ার যোদ্ধারা শত শত বেসামরিক মানুষকে হত্যা করেছে। এছাড়া হাজার হাজার মানুষকে তাদের বাড়ি-ঘর ছেড়ে পালিয়ে যেতেও বাধ্য করেছে গোষ্ঠীটি।

ডিআর কঙ্গোর উত্তরের সীমান্ত লাগোয়া দেশগুলো হলো উগান্ডা, রুয়ান্ডা ও বুরুন্ডি। ওই অঞ্চলে শতাধিক সশস্ত্র বিদ্রোহীগোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে। আনুষ্ঠানিক ভাবে ২০০৩ সালে গৃহযুদ্ধ শেষ হলেও এখনও এ রকম হামলা প্রায়ই হয়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর