সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৩ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বাংলাদেশের মুখপত্রে আপনাকে স্বাগতম।
শিরোনাম :
রাজধানী গুলিস্তানে চাঁদাবাজদের খুঁটির জোর কোথায় মাদারীপুর কালকিনিতে স্ত্রীকে গলাকেটে হত্যা, স্বামী আটক ডিবি কর্তৃক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পলাতক আসামি অবসরপ্রাপ্ত মেজর মোজাফফর হোসেনকে গ্রেফতার বিএসএফের বাঁধা- ৫ বছরেও শেষ হয়নি মনুর বেড়িবাঁধের কাজ রাজৈরে ভূমিহীনদের ঘর পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাসে টাকা আদায় ও শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগ পুলিশের মনোবল ভাঙতেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে :ডিসি তারেক বেগ ব্যারিস্টার জমির উদ্দীনের মৃত্যুতে ধর্মমন্ত্রীর শোক দেবিদ্বার মোঃ আল রামিম ও জান্নাতুল ফেরদৌসের প্রেমের করুন কাহিনী নিজ খরচে সড়ক সংস্কার করে প্রসংসা ভাসছেন চেয়ারম্যান পার্থী আকরাম হোসেন শাহেদ হাওলাদার ডিএমপি কোতয়ালী থানার নতুন ওসি কে এম রবিউল ইসলাম

রাজধানী গুলিস্তানে চাঁদাবাজদের খুঁটির জোর কোথায়

বাংলাদেশের মুখপত্র ডেস্ক :
  • আপডেট সময় রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :  ঢাকার প্রাণকেন্দ্র গুলিস্তান। দেশের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র ও ব্যস্ততম পরিবহন হাব। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে এলাকাটি এখন মূর্তিমান আতঙ্কের নাম। ফুটপাত থেকে শুরু করে মূল রাস্তার সিংহভাগ এখন আর পথচারী বা যানবাহনের নেই, তা চলে গেছে শক্তিশালী চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের কবজায়।

‎অনুসন্ধানে জানা গেছে, রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হলেও গুলিস্তানের ফুটপাতে চাঁদাবাজির কাঠামো বদলায়নি। জাতীয়তাবাদী হকার্স দলের কয়েকজনকে সামনে এনে পুরোনো ও চিহ্নিত লাইনম্যানরাই এখন নতুন মোড়কে পুরো এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছেন। হোতা হিসেবে উঠে এসেছে জুতা পট্টির কবির হোসেন ও জিয়া,আল মনসুর হোটেলের সামনের এলাকার লাইনম্যান ফরিদ, ওরা মার্কেট সামনের এলাকার লাইনম্যান জাফর, গার্ডেনের সামনে এলাকার কাল্লু ও সিরাজ, হলমার্কেট এলাকার সামনে লাইনম্যান সিরাজ, বাইতুল মোকাররম তিন নাম্বার গেট এলাকার নুর ইসলাম, আওয়ামী লীগ পার্টি অফিসের সামনের ছবির ও ইমন, ২৭ নং বঙ্গবন্ধু এভিনিউ এলাকার কালা জসিম, হল মার্কেটের সামনে বাবুল, দুলাল, রাজধানী মার্কেটের সামনে লিটন, সচিবালয়ের সামনে বাবু, রমনা পশ্চিম পাস এলাকার লাইন ম্যান আল আমীন, নতুন টাকার ফুটপাত নিয়ন্ত্রণ করছে নজরুল, গোলাপ শাহ মাজার এলাকার সামনে জুয়েল, আহাদ বক্স এর উত্তর পাশে লাইন ম্যান সোহেল, গোলাপ শাহ মাজারের লিংক রোডের লাইনম্যান সিদ্দিক, ৩২ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ এলাকার সর্দার সালাম, পলটন মোড় এলাকার শাহ আলম, সুন্দরবন মার্কেট এলাকার লাইন ম্যান সালেক, বাইতুল মোকাররম ২ নং গেট এলাকার রাসেল সহ অনেকের নাম।


‎এসব  এলাকায় নতুন কোনো হকার বসতে চাইলে তাঁকে প্রথমে দিতে হয় মোটা অঙ্কের ‘পজিশন ফি’। এলাকাভেদে এর পরিমাণ ২ থেকে ৫ লাখ টাকা। একজন হকার নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এখানে শুধু বসার অনুমতি পেতেই কয়েক লাখ টাকা লাইনম্যানদের হাতে দিতে হয়। এ টাকা না দিলে ফুটপাতে বসা দূরের কথা, দাঁড়ানোও সম্ভব নয়। শুধু পজিশন ফি দিয়েই শেষ নয়; এরপর পদে পদে দিতে হয় টাকা।

‎গুলিস্তানে চাঁদাবাজির তিনটি স্তর রয়েছে। প্রথমত প্রতিটি দোকান বা ভ্যান থেকে প্রতিদিন ৫০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়। দোকানের আকার এবং অবস্থানের গুরুত্ব অনুযায়ী এ হার নির্ধারিত হয়। এরপর প্রতিটি ‘বিট’ বা নির্দিষ্ট সীমানার জন্য হকারদের গুনতে হয় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা মাসিক ভাড়া। বিশেষ বিশেষ দিনে বা উৎসবের আগে লাইনম্যানদের আলাদা নজরানা দিতে হয়। হিসাব করে দেখা গেছে, গুলিস্তান এলাকার হাজার হাজার হকার থেকে প্রতিদিন কয়েক কোটি টাকা চাঁদা তোলা হয়।
‎ এই লাইনম্যানরা প্রতিদিন বিকালে নির্দিষ্ট স্থানে দাঁড়িয়ে থাকেন। তাঁর নিযুক্ত প্রতিনিধি হকারদের কাছ থেকে টাকা উঠিয়ে তাঁর কাছে জমা দেন। কেউ চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে বা দেরি করলে তাঁকে তাৎক্ষণিক উচ্ছেদ করা হয়, এমনকি শারীরিক নির্যাতনের শিকারও হতে হয়।আর এসব লাইনম্যান সিন্ডিকেটের পেছনে রয়েছে রেজিস্ট্রেশনবিহীন বিভিন্ন হকার্স সংগঠন।
‎এ প্রসঙ্গে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘সিটি করপোরেশন এবং সরকার চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে রয়েছে। যাঁরা হকার তাঁদের নির্ধারিত জায়গায় বসার জন্য সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে কার্ডের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কার্ডধারীরা বৈধ, তাঁদের কাছ থেকে কেউ চাঁদা চাইতেও পারবে না, তাঁরা চাঁদাও দেবেন না। ’এসব চাঁদাবাজদের নির্মূল করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহ সংশ্লিষ্ট সকলের সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী হকাররা। এদের মধ্যে কিছু লোক আছে মুখোশধারী যাদের নাম উল্লেখ না করলেই নয় তারা হচ্ছে ইমন , ইয়াছিন, কালা জসিম এদের অধীনে প্রায় গুলিস্তানে ৪০ থেকে ৫০ জনের একটি কিশোর গ্যাং গ্রুপ আছে ,
‎রাত হলেই এদের ভয়ংকর রূপ থেকে সাধারণ মানুষ রেহাই পায় না গুলিস্তান পল্টন জুড়ে যত মোবাইল ছিনতাই হয় সব মোবাইল চলে যায় ইমনের আন্ডারে , সেই সাথে রাত হলেই শুরু হয় তাদের ক্রাম বোর্ডের রমরমা জুয়া এবং তাসের খেলা এদের থেকে সাধারণ মানুষ মুক্তি পাবে কবে প্রথম পর্ব

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর