শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বাংলাদেশের মুখপত্রে আপনাকে স্বাগতম।
শিরোনাম :
মজুচৌধুরীহাটে কোস্টগার্ড ও প্রশাসনের নাকের ডগায় কোটি টাকার অবৈধ তেল চোরাচালান মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় এনসিপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০; গ্রেপ্তার ৫ বিজিবি’র সঙ্গে ভারতীয় চোরাকারবারিদের গোলাগুলি;পিস্তল-গুলি-ইয়াবাসহ ভারতীয় নাগরিক আটক জেলা রেজিস্ট্রার নূর নেওয়াজ ক্ষমতার অপব্যবহার করে খামখেয়ালী ভাবে কাজী নিয়োগ, ব্যবস্থা নিতে আইন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ কাজী খোরশেদ আলম সহ সংশ্লিষ্ট পক্ষের বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ ডিএমপির মতিঝিল বিভাগে বিভিন্ন অপরাধে ৭৪ গ্রেফতার চকবাজারে ২০ ইয়াবা সহ ২জন গ্রেফতার মো: মনির হোসেনকে ডা. আনোয়ারুল আজীম ও মাহমুদুর রহমান মুরাদের শুভেচ্ছা মাদারীপুর শিবচর থানাধীন মাদবরচর ইউনিয়নের বাখরের কান্দি হইতে এক যুবতি নারীর মৃতদেহ উদ্ধার কমলনগরে ইজারা নিয়েও আতঙ্কে ব্যবসায়ী: সাবেক টোল আদায়কারী ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

লাভের আশায় আলু চাষ, দাম না পেয়ে হতাশ চাষি

বাংলাদেশের মুখপত্র ডেস্ক :
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২২

গত বছর ভালো দাম পাওয়ায় এবার দিনাজপুরের কৃষকরা দ্বিগুণ উৎসাহ নিয়ে আলু চাষ শুরু করেন। কিন্তু আলুর বর্তমান বাজারদরে লাভ তো দূরের কথা খরচও তুলতে পারছেন না তারা। ফলে হতাশা কাজ করছে তাদের মধ্যে।

জানা গেছে, প্রতি বছর নতুন আলু ৮০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও এবার শুরুতেই দাম ছিল অর্ধেক। এ বছর প্রতি কেজি নতুন আলু ৪০-৫৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তবে বর্তমানে আগাম আলুর দাম আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। এখন প্রতি কেজি আলু পাইকারি ৭-৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

জেলা কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, সাধারণত নভেম্বরের ১৫ তারিখ পর্যন্ত আগাম আলু লাগানো হয়। এ বছর জেলায় ১০ হাজার ২৩২ হেক্টর জমিতে আগাম আলুর চাষ হয়েছে। হেক্টর প্রতি গড় ফলন ১৭ দশমিক ২৮ মেট্রিক টন। আর গড়ে প্রতি কেজিতে উৎপাদন খরচ সাড়ে সাত টাকা। এ পর্যন্ত মোট আবাদের ৪০ শতাংশ জমির আলু তোলা হয়েছে।

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার আউলিয়াপুকুর গ্রামের কৃষক মোহসিন আলী ঢাকা পোস্টকে বলেন, এ বছর দুই বিঘা জমিতে আগাম আলু লাগিয়েছি। বীজ, সার, শ্রমিকের খরচ, সেচ বাবদ প্রতি বিঘা জমিতে ১৫-১৬ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আর এক বিঘা জমির আলু বিক্রি করে পাওয়া যাচ্ছে ১৪-১৬ থেকে হাজার টাকা। ফলে গুনতে হচ্ছে লোকসান।

খুনিয়াদীঘি গ্রামের কৃষক মোকসেদুল ঢাকা পোস্টকে বলেন, উচ্চ মূল্যে বীজ কিনে আলু চাষ করেছি। এখন বিক্রির সময় ভালো দাম পাচ্ছি না। দুই মাস আগে প্রতি কেজি আলু ৫৫-৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছিল। আর এখন জমি থেকে ৭ টাকা থেকে সাড়ে ৯ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

বড়গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি এ বছর দুই একর জমিতে আলুর আবাদ করেছি। ফলনও মোটামুটি ভালো হয়েছে। কিন্তু আলুর বাজার দর ভালো না পাওয়ায় লোকসান গুনতে হচ্ছে। সরকার যদি আলুচাষিদের দিকে না তাকায় তাহলে আমরা আগ্রহ হারিয়ে ফেলব।

চিরিরবন্দর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জোহরা সুলতানা ঢাকা পোস্টকে বলেন, কৃষকরা এখন আগাম জাতের আলু তুলছে। এবার আগাম আলুর ফলন মোটামুটি ভালো হয়েছে। তবে দাম কম পাচ্ছেন কৃষক। খুচরা বাজারে আলুর যে দাম পাইকারি বাজারে তার থেকেও অনেক কম। কৃষি অধিদফতর মনে করছে, এই আগাম আলু যদি আরও ১০-১৫ দিন আগে তোলা হতো তাহলে কৃষকরা দাম মোটামুটি ভালো পেতেন।

দিনাজপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) মো. খালেদুর রহমান জানান, এখন পর্যন্ত আগাম আলুর মাত্র ৪০ শতাংশের মতো উৎপাদন করা হয়েছে। বর্তমান বাজারদরে কাঙ্ক্ষিত লাভ হচ্ছে না। তবে সামনের দিকে দাম কিছুটা বাড়লে চাষিদের লোকসানে পড়তে হবে না।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর