নিজস্ব প্রতিবেদক:
পাইপলাইনে আটকে থাকা বৈদেশিক ঋণের বোঝা বেড়েই চলেছে। বর্তমানে এর পরিমাণ বেড়ে ঠেকেছে ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি টাকা খরচে কর্মকর্তাদের যতটা আগ্রহ, বিদেশি ঋণের টাকা খরচে ততটাই অনাগ্রহ। বিশ্বব্যাংক, এডিবিসহ বিভিন্ন বহুজাতিক সংস্থা ও চীন-ভারতের মতো দ্বিপাক্ষীয় অংশীদারদের সঙ্গে প্রতিবছর যে ঋণচুক্তি হয়, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে টাকা খরচ করতে পারে না বাংলাদেশ। এ কারণে প্রতিবছরই উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতিশ্রুত ঋণের একটি বড় অংশ ‘পাইপলাইনে’ যোগ হয় অর্থাৎ অব্যবহৃত থেকে যায়।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) তথ্য অনুযায়ী, বছর বছর বাড়তে বাড়তে ফুলে-ফেঁপে উঠেছে পাইপলাইনে থাকা ঋণ। চলতি অর্থবছরও (২০২১-২২) বার্ষিক উন্নয়ন প্রকল্পের (এডিপি) অর্থ ব্যবহার করতে না পারায় ঋণসহায়তা কমেছে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার বা ১৭ হাজার ৭৭৪ কোটি টাকা।