মিজানুর রহমান সোহেল বাঙালীঃ
রামগতি কমলনগরের সাধারণ জনগনের আস্থা ও ভালোবাসার আরেক নাম আব্দুল্লাহ আল মামুন সাবেক এমপি,এই অঞ্চলের মানুষের অগাধ বিশ্বাস অসমাপ্ত নদীবাঁধ কাজটিকে স্বদর্পে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন একমাত্র আব্দুল্লাহ আল মামুন।
অত্যান্ত বিচক্ষণ ও দক্ষ একজন সংসদ ছিলেন।২০১৪- ২০১৮ সাল এই ৫ বছরে রামগতি কমলনগরে ব্যাপক উন্নয়নের স্বাক্ষর রেখেছেন তিনি,তার উদ্দ্যেগে ও প্রচেষ্টা নদীবাধের কাজ শুরু হয়েছিল তখনকার সময়,আজকে রামগতি উপজেলার উপজেলা ভবন সহ সরকারী অনেক স্থাপনা,আলেকজান্ডার বাজার,কমলনগরের হাজির হাট বাজার ও উপজেলার ভবনগুলো তার সমপোযোগী পদক্ষেপের কারণে রক্ষা পেয়েছে, তার ৫ বছরে এমন কোন সেক্টর নেই যেখানে তিনি উন্নয়নের স্বাক্ষর রাখেন নি,তাই রামগতি কমলনগরের তৃণমূল আওয়ামীলীগ সহ দলমত নির্বিশেষে সবাই একাট্রা আগামী ২০২৩ সালের সংসদ নির্বাচনে আব্দুল্লাহ আল মামুনকে ২য় বারের মত এমপি নির্বাচিত করায়।২০১৪ ও ২০১৮ সালে আওয়ামীলীগের টিকেট পেয়েছিলেন আব্দুল্লাহ আল মামুন।আওয়ামীলীগ বিকল্পধারার সাথে মহাজোট করায় জোটের স্বার্থে মেজর মান্নান কে আসনটিতে নৌকা মার্কা নিয়ে নির্বাচন করতে দেওয়া হয়।মেজর মান্নান নির্বাচিত হয়েই প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে সাবেক এমপি আব্দুল্লাহ আল মামুনের অগ্রগতি হওয়া নদীবাধের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়।বন্ধ করার পর এখনো কাজ শুরু করতে পারে নাই।তার বিরুদ্বে এমপি হওয়ার পর অনেক অভিযোগ আওয়ামীলীগ ও জনগনের মাঝে দেখা যায়।মেজর মান্নান এমপি হয়েই সরকারী যত উন্নয়ন প্রকল্প সবগুলো থেকে আওয়ামীলীগ লোকদের বঞ্চিত করে তার পছন্দের পিওস নোমান নামের একজন কে দিয়ে নামে বেনামে টিআর,কাবিখার ভূয়া প্রকল্প দেখিয়ে টাকা আত্বসাত করে,অন্যের জমি দখল,আইন প্রণেতা হয়েও আইন না মানা,বিএনপি জামাতের লোকদের বিভিন্ন সূযোগ সুবিধা দেওয়া সহ বিভিন্ন কারণে জনগন তার থেকে মূখ ফিরিয়ে নেয়।এ বিষয়ে উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক এ এইচ এম আহছান উল্যাহ হিরণ বলেন ভোটের সময় অনেক নতুন মুখ দেখি,কিন্তু ভোট চলে গেলে রামগতি কমলনগরের মানুষ তাদেরকে আর খুঁজে পাওয়া যায় না।বিএনপির সাবেক এমপি আশরাফ উদ্দিন নিজান ক্ষমতা না থেকেও ঈদে ও বিভিন্ন দিবসে যেভাবে তাদের নেতাকর্মীদের পাশে থাকে সেই হিসাবে আমাদের দলের কোন নেতা এভাবে থাকেনা।গত দুইটি ঈদে দেখিনি আমাদের কোন প্রাথী একজন কমীকে একটা পাঞ্জাবি বা এক পেকেট ঈদের সেমাই দিতে। আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নুরুল আমিন রাজু বলেন জননেত্রী শেখ হাসিনা যাকেই নৌকা দিয়ে আমাদের কাছে পাঠাবেন তাকে বরণ করে নিব।কমলনগর উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মেজবা উদ্দিন আহম্মেদ বাপ্পি জানান তৃণমূল আওয়ামীলীগ যাকে চায় এবং জননেত্রী শেখ হাসিনা যাকে নমিনেশন দিয়ে পাঠায় তার জন্য অতীতের ন্যায় জীবন বাজী রেখে কাজ করবো ইনশাআল্লাহ। সাবেক এমপি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান আমার বিশ্বাস জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০১৪-২০১৮ সালে আমার উপর যেই বিশ্বাস রেখেছেন ২০২৩ সালের জাতীয় নির্বাচনে সেই বিশ্বাস রাখবেন ইনশাআল্লাহ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট
রামগতি-কমলনগরের তৃণমূল আওয়ামীলীগ ও অবহেলিত সাধারণ মানুষের আকুল আবেদন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাবেক সংসদ সদস্য ও জনবান্ধব নেতা জননেতা আলহাজ্ব আব্দুল্লাহ আল মামুন সাহেবকে আবারো নৌকা মার্কার প্রতীক দিয়ে রামগতি কমলনগরবাসীর মাঝে পাঠাবেন।