লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ
তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বামূ কর্তৃক তালাক প্রাপ্ত আকলিমা ও তার মেয়ে জুঁইের ভয়ংকর হামলায় মারাত্মক আহত হয়েছে ঝর্ণা আক্তার।
আহত ঝর্ণা লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলাধীন ৮ নং করপাড়া ইউনিয়নের আজমপুর গ্রামের মোস্তফা ডাক্তার বাড়ীর পল্লী চিকিৎসক আঃ রশীদের স্ত্রী।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, আকলিমার শিশু মেয়ে রশিদের ঘর থেকে দা নিয়ে রশিদের ভাই ইব্রাহিমের আখ ক্ষেত থেকে আখ কাটে।
বিষয়টি রশিদের বউ ঝর্ণা তার শশুর শাশুড়ী কে জানালে আকলিমা ও তার মেয়ে জুঁই ক্ষিপ্ত হয়ে ঝর্ণার উপর হামলা করে।
এক পর্যায়ে ঝর্ণার মাথা পাঠিয়ে পেলে, শরীরের বিভিন্ন স্থানে কামড়ে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করে।
পরে বাড়ির লোকজন এসে ঝর্ণাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
রামগঞ্জ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা দেওয়া পর উন্নত চিকিৎসা সিটিস্ক্যান ও আল্ট্রা করার জন্য তাকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে।
বাড়ির লোকজন নাম প্রকাশে অনিচ্চাসত্বে বলেন, আকলিমার আচার ব্যবহার অত্যন্ত বাজে। এসব কারনে তার প্রবাসি স্বামী জাকির তাকে তালাক দেয়।
তালাক দেওয়ার পরেও সে চলে না গিয়ে তার সাবেক স্বামীর ঘরে বসবাস করে।
প্রবাসি স্বামী দেশে এসে তার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।
এদিকে আহত ঝর্ণার স্বামী আঃ রশিদ জানান, আমার স্ত্রীর অবস্থা খুবই খারাপ। তাকে নিয়ে হাসপাতালে দৌড়াদৌড়ি করছি। আকলিমা উল্টো ফাঁড়ি থানায় অভিযোগ দিয়ে আমাদের হয়রানি করছে।
ন্যায় বিচারের আশায় আমি ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা করেছি, যাহার নং সি আর ২৭২/২২
অভিযুক্ত আকলিমা জানায়, ঝর্ণার সাথে আমার মেয়ে জুঁইয়ের হাতাহাতি হয়, আমি ছুটাতে গেছি।