বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বাংলাদেশের মুখপত্রে আপনাকে স্বাগতম।
শিরোনাম :
লালমোহনে স্থানীয় নির্বাচনে প্রতিটি ইউনিয়নে বিএনপি’র একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী সরিষাবাড়ি  পৌরসভার প্রায় সহস্রাধিক গ্রাহক পানি সংকটে বেলকুচিতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রেলওয়ের সাবেক প্রকৌশলী শাহ আলমের ইন্তেকাল, বিভিন্ন স্থানে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ছাতকের চেলা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনকারী ২৬ জনের বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলা মাদারীপুরে ভুয়া তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে ৫ কোটি টাকার মানহানি মামলা রাজধানী গুলিস্তানে চাঁদাবাজদের খুঁটির জোর কোথায় মাদারীপুর কালকিনিতে স্ত্রীকে গলাকেটে হত্যা, স্বামী আটক ডিবি কর্তৃক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পলাতক আসামি অবসরপ্রাপ্ত মেজর মোজাফফর হোসেনকে গ্রেফতার বিএসএফের বাঁধা- ৫ বছরেও শেষ হয়নি মনুর বেড়িবাঁধের কাজ

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার মাতব্বর হাট এখন কার্যত চাঁদাবাজদের অভয়ারণ্যে

বাংলাদেশের মুখপত্র ডেস্ক :
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

লক্ষীপুর জেলা প্রতিনিধি:
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার মাতব্বর হাট এখন কার্যত চাঁদাবাজদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে সকল নিয়ম-কানুন মেনে বৈধভাবে ইজারা নেওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী কোনো ধরনের নিরাপত্তা কিংবা শান্তি পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিআইডব্লিউটিএ’র সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে পরিচয় দেওয়া এবং স্থানীয় জামায়াত নেতা হিসেবে পরিচিত লোকমান মাস্টার নিয়মিতভাবে চাঁদা দাবি করে আসছেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে হাট পরিচালনায় বাধা, ভয়ভীতি ও নানা ধরনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর ভাষ্য, লোকমান মাস্টারের দাপটে মাতব্বর হাট এলাকায় সাধারণ মানুষ জিম্মি হয়ে পড়েছে। বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও ইজারাদারকে অপদস্থ করা হচ্ছে, সৃষ্টি করা হচ্ছে অরাজক পরিবেশ। এতে করে ঘাটের স্বাভাবিক বাণিজ্য কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এলাকাবাসী আরও অভিযোগ করেন, প্রভাবশালীদের এই প্রকাশ্য চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। দিনের পর দিন প্রশাসনের নীরবতায় চাঁদাবাজরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে বলেও দাবি করেন তারা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত লোকমান মাস্টারের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সচেতন মহল প্রশ্ন তুলেছেন বিভাগীয় কমিশনারের কাছ থেকে বৈধ ইজারা নেওয়ার পরও যদি একজন ব্যবসায়ী নিরাপত্তা না পান, তবে সাধারণ মানুষের অবস্থা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে?

অবিলম্বে চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে যে কোনো সময় বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। তারা দ্রুত প্রশাসনের দৃশ্যমান হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর