শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বাংলাদেশের মুখপত্রে আপনাকে স্বাগতম।
শিরোনাম :
মজুচৌধুরীহাটে কোস্টগার্ড ও প্রশাসনের নাকের ডগায় কোটি টাকার অবৈধ তেল চোরাচালান মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় এনসিপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০; গ্রেপ্তার ৫ বিজিবি’র সঙ্গে ভারতীয় চোরাকারবারিদের গোলাগুলি;পিস্তল-গুলি-ইয়াবাসহ ভারতীয় নাগরিক আটক জেলা রেজিস্ট্রার নূর নেওয়াজ ক্ষমতার অপব্যবহার করে খামখেয়ালী ভাবে কাজী নিয়োগ, ব্যবস্থা নিতে আইন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ কাজী খোরশেদ আলম সহ সংশ্লিষ্ট পক্ষের বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ ডিএমপির মতিঝিল বিভাগে বিভিন্ন অপরাধে ৭৪ গ্রেফতার চকবাজারে ২০ ইয়াবা সহ ২জন গ্রেফতার মো: মনির হোসেনকে ডা. আনোয়ারুল আজীম ও মাহমুদুর রহমান মুরাদের শুভেচ্ছা মাদারীপুর শিবচর থানাধীন মাদবরচর ইউনিয়নের বাখরের কান্দি হইতে এক যুবতি নারীর মৃতদেহ উদ্ধার কমলনগরে ইজারা নিয়েও আতঙ্কে ব্যবসায়ী: সাবেক টোল আদায়কারী ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার মাতব্বর হাট এখন কার্যত চাঁদাবাজদের অভয়ারণ্যে

বাংলাদেশের মুখপত্র ডেস্ক :
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

লক্ষীপুর জেলা প্রতিনিধি:
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার মাতব্বর হাট এখন কার্যত চাঁদাবাজদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে সকল নিয়ম-কানুন মেনে বৈধভাবে ইজারা নেওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী কোনো ধরনের নিরাপত্তা কিংবা শান্তি পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিআইডব্লিউটিএ’র সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে পরিচয় দেওয়া এবং স্থানীয় জামায়াত নেতা হিসেবে পরিচিত লোকমান মাস্টার নিয়মিতভাবে চাঁদা দাবি করে আসছেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে হাট পরিচালনায় বাধা, ভয়ভীতি ও নানা ধরনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর ভাষ্য, লোকমান মাস্টারের দাপটে মাতব্বর হাট এলাকায় সাধারণ মানুষ জিম্মি হয়ে পড়েছে। বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও ইজারাদারকে অপদস্থ করা হচ্ছে, সৃষ্টি করা হচ্ছে অরাজক পরিবেশ। এতে করে ঘাটের স্বাভাবিক বাণিজ্য কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এলাকাবাসী আরও অভিযোগ করেন, প্রভাবশালীদের এই প্রকাশ্য চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। দিনের পর দিন প্রশাসনের নীরবতায় চাঁদাবাজরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে বলেও দাবি করেন তারা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত লোকমান মাস্টারের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সচেতন মহল প্রশ্ন তুলেছেন বিভাগীয় কমিশনারের কাছ থেকে বৈধ ইজারা নেওয়ার পরও যদি একজন ব্যবসায়ী নিরাপত্তা না পান, তবে সাধারণ মানুষের অবস্থা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে?

অবিলম্বে চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে যে কোনো সময় বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। তারা দ্রুত প্রশাসনের দৃশ্যমান হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর