শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বাংলাদেশের মুখপত্রে আপনাকে স্বাগতম।
শিরোনাম :
ডিএমপি কমিশনারের দায়িত্বে অতিরিক্ত আইজিপি সরওয়ার নবীনগরে রমজানের বাজার মনিটরিংয়ে সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নান শ্রীনগরে আইন-শৃঙ্খলা ও মাসিক সাধারণ সভায় মুন্সীগঞ্জ-০১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ শেরপুরে আবাদি জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে পুকুর খনন তাড়াশ পৌরসভার অবকাঠামো উন্নয়নের কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের বিরুদ্ধে বগুড়ার শেরপুরে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ওয়াইল্ডটিমের উদ্যোগে জয়মনি গ্রামে উন্নত চুলা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদকে জড়িয়ে ফেসবুকে মিথ্যাচার: কর্নেল আব্দুল হক ও সাংবাদিক মোস্তফা ফিরোজকে লিগ্যাল নোটিশ মাতা-পিতার মতো হজযাত্রীদের খেদমত করতে হবে ঢাকাস্থ লক্ষ্মীপুর সদর উত্তরাঞ্চলীয় সংগঠক ফোরাম (নফল) এর উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠান

ডিএমপি ভাটারা থানার ওসির মোবাইল ব্যাংকিংয়ে অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগ

বাংলাদেশের মুখপত্র ডেস্ক :
  • আপডেট সময় শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

মো: লুৎফর রহমান (খাজা শাহ্):  ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ভাটারা থানার ওসি ইমাউল হকের ব্যক্তিগত মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। ২০২৫ইং সালের ২০ ডিসেম্বর থেকে গত ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ওসির বিকাশ ও নগদ নাম্বারে মোট ৩২ লাখ ৩৩ হাজার টাকা লেনদেন হয়েছে, যার বড় অংশ অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে ব্যয় হয়েছে বলে প্রকাশ। বিষয়টি তদন্ত করছে ডিএমপি সদর দফতর। পুলিশ সূত্রে উল্লেখিত তথ্য জানা গেছে।

একাধিক সূত্রে জানা যায়, সাতটি পৃথক বিকাশ ও নগদ হিসাব থেকে বিভিন্ন সময়ে ওসির ব্যক্তিগত নাম্বারে এসব অর্থ পাঠানো হয়। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, ভাটারা থানার পেছনে অবস্থিত একটি বিকাশ/নগদ দোকান থেকে গত দুই মাসে ৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা পাঠানো হয়েছে। কনস্টেবল আমজাদের নাম্বার থেকে এসেছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা এবং কনস্টেবল সাদ্দামের নাম্বার থেকে ৬ লাখ ৯১ হাজার ৬২৯ টাকা। এছাড়া নাসিম (বাড়িওয়ালা) নামে একজনের নাম্বার থেকে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৮০ টাকা, মদিনা এজেন্ট হাউজ থেকে ২ লাখ ১৪ হাজার টাকা এবং খালেক নামের এক ব্যক্তির নাম্বার থেকে ২ লাখ ৯০ হাজার ৮৫০ টাকা পাঠানোর তথ্য উল্লেখ করা হয়। ‘লন্ড্রি পিকআপ অ্যান্ড ড্রপ’ নামে নিবন্ধিত একটি নাম্বার থেকে ৬ লাখ ৩৪ হাজার ৯১০ টাকা এবং মিজানুর নামের আরেক ব্যক্তির নাম্বার থেকে ৫ লাখ ৪৯ হাজার ১২০ টাকা লেনদেনের কথাও বলা হয়েছে।

ওসি তার মোবাইল ব্যাংকিংয়ে পাওয়া অর্থ এপিআই (অচও) সিস্টেম ব্যবহার করে বিভিন্ন অনলাইন জুয়ার প্ল্যাটফর্মে ব্যয় করেছেন।কিনা। পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবেও বিপুল অর্থ লেনদেনের তথ্য রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। অবৈধ অনলাইন জুয়ার আড়ালে অর্থ লেনদেনকে কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাদের জন্য নিরাপদ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলা হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমের সাংবাদিক গন ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ জানতে চাইলে ওসি ইমাউল হক অভিযোগটি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, অনলাইন জুয়ার বিষয়ে তার কোনো ধারণা নেই।তার। ওসির দাবি, একটি গোষ্ঠী ও ব্যক্তিবর্গ তার মোবাইল অধিগ্রহণ (হ্যাক) করে এসব লেনদেন করেছে। এ ব্যপারে ডিএমপির সদর দপ্তর ও পুলিশ সদর দপ্তর তদন্ত করছে বলে জানা যায়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর