মো: সাইদুল ইসলাম: ডিএমপি কোতয়ালী থানাধীন তাঁতিবাজার মোড় সংলগ্ন মেইন রোডে গত ২০ ফেব্রুয়ারী বিকাল ০৪:৩০ মিনিট সময় ট্রাফিক পুলিশের কর্তব্যরত সার্জেন কাওসার ও এ.টি.এস.আই মালবাহী একটি ট্রাক থামিয়ে দাঁড় করাইলে রাস্তায় যানজটের সৃষ্টি হয়। এ সময় ডেইলী নিউজ বিডি ডট অনলাইনে নির্বাহী সম্পাদক ও বাংলাদেশের মূখপত্র ডট কম এর সহকারী সম্পাদক সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ লুৎফর রহমান (খাজাশাহ্) ট্রাকটির ছবি তুলিলে সার্জেন্ট কাউসার ও কর্তব্যরত এ.টি.এস.আই এ প্রতিবেদক সাংবাদিকের পরিচয়পত্র দেখতে চান। তার পরিচয়পত্র দেখানোর পর কর্তব্যরত এ.টি.এস.আই সাংবাদিক লুৎফরকে ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা দিয়ে বলেন ট্রাকের তোলা ছবিটি ডিলিট করে দিন। উক্ত টাকা সাংবাদিক লুৎফর সাহেব প্রত্যাখান করিলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে যান। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে অপর সার্জেন্ট ইনশান এসে সাংবাদিকের পরিচয়পত্রটি হাতে নিয়ে পরিচয়পত্রটির ছবি তুলে উক্ত সাংবাদিক কে তাঁতিবাজার ট্রাফিক বক্সের ভিতরে নিয়ে যান এবং সাংবাদিকের মোবাইলটি সার্জেন্ট ইনশান তার হাতে নিয়ে মালবাহী ট্রাকের তোলা ছবিটি ডিলেট করে দেন। এ সময় কেন ট্রাকের ছবি তুলা হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদ সহ নানান ধরনের কথা বার্তার সময় সার্জেন্ট কাউসার সাংবাদিক লুৎফর রহমানের ছবি তুলেন ও ভিডিও করেন। এরই মধ্যে সার্জেন্ট ইনশান ও কর্তব্যরত এ.টি.এস.আই সাংবাদিক লুৎফর কে উদ্দেশ্য করে বলেন এই এলাকায় ভবিষ্যতে আপনাকে যেন আর না দেখি। ভবিষ্যতে এই এলাকায় এসে সাংবাদিকগিরি করে ট্রাকের ছবি তুললে ট্রাফিক পুলিশ বাদী হয়ে আপনাকে চাঁদাবাজীর মামলা দিয়ে থানায় সপর্দ করিব। সেই মামলায় ট্রাফিক পুলিশের সহায়তাকারী (টেকার) ও ট্রাফিক পুলিশ কোর্টে আপনার বিরুদ্ধে সাক্ষি দিবে। আপনার জেল হয়ে যাবে।
অতএব, সাবধান ভবিষ্যতে যেন আপনাকে এ এলাকায় আর না দেখি। এ ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করিলে আপনার ভিডিও আছে আমাদের কাছে। উল্লেখ্য যে, সততা ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় ও লেখালেখির জন্য মোঃ লুৎফর রহমান (খাজাশাহ্) সরকার অনুমোদিত ঢাকা প্রেস ক্লাব ও অন্যান্য সামাজিক সংগঠনের একাধিক পুরষ্কার পেয়েছেন।