সহযোগী সম্পাদক, মো: লুৎফর রহামান (খাজা শাহ্) : গত ২৫ মার্চ এই নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলকে পুনরয় আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল পদে এ নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
প্রজ্ঞাপণ জারির পর আজ বিকেলে ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে যোগদান করেছেন।
ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তিনি সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ছিলেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত হয়ে এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস ১৯৯৫ সালে ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী হিসেবে আইন পেশা শুরু করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৮ইং সালে সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন তিনি। ২০২৩ইং সালে তিনি সুপ্রীম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী হন।
আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস বাংলাদেশ সরকারের কূটনৈতিক কর্মকর্তা হিসেবেও কাজ করেছেন। তিনি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে ২০০৩ইং থেকে ২০০৬ইং মেয়াদে কর্মরত ছিলেন।
তাঁর জীবনী থেকে জানাযায় ছাত্রজীবনে সাংবাদিকতার সঙ্গে কিছু কাল যুক্ত ছিলেন রুহুল কুদ্দুস। তিনি ১৯৯৩ইং সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স), ১৯৯৪ইং সালে এলএলএম করেন। ২০০৫ইং সালে তিনি যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে এলএলবি (অনার্স) ডিগ্রি লাভ করেন। ২০০৬ইং সালে লন্ডনের সিটি ইউনিভার্সিটি থেকে বার ভোকেশনাল কোর্স সম্পন্ন করেন। ২০০৬ইং সালেই তিনি যুক্তরাজ্যের লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার অ্যাট ল সনদ অর্জন করেন।