লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি: লক্ষীপুর সদর উপজেলা ১৭ নং ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন ৯ নং ওয়ার্ড পিয়ারাপুর
জামাত নেতাদের নেতৃত্বে ছাত্রশিবির অতর্কিত হামলা করেন বি এন পি নেতা রুহুল আমিনের উপর, ছাত্রলীগকে ছাত্রশিবির বানিয়ে দীর্ঘদিনের পরিকল্পনাকে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা বাস্তবায়ন করেন জামাত নেতারা ২৯ শে মার্চ সন্ধ্যা 8টায় পিয়ারাপুর দক্ষিণপাড় ব্রিজের ঘোড়ায় ছাত্রশিবিরের অতর্কিত হামলায় বি এন পি নেতা রুহুল আমিন শিকার হন
এবং ঘটনাস্থল থেকে রিকশা যোগে সদর হাসপাতালে আনা হয় মুমূর্ষ অবস্থায় ভর্তি করা হয় কিন্তু সেখান থেকে জামাত নেতাদের নেতৃত্বে আবারো অতর্কিত হামলা করা হয় পরবর্তীতে রুলামিন কে সদর হাসপাতাল থেকে পিয়ারাপুর তার নিজ বাড়িতে নেওয়া হয় বর্তমান রুহুল আমিন আশঙ্কাজনক চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন,
বি এন পির নেতা রুহুল আমিন পিয়ারাপুর ৯ নং ওয়ার্ড এর স্থায়ী বাসিন্দা তিনি তার জীবনযাত্রা শুরু থেকে একজন ছাত্রদলের
ভালো কর্মী ছিলেন সেখান থেকে তিনি একজন যুবদল নেতা ছিলেন ত্যাগী সেখান থেকে জীবনের শেষ বেলায় পিয়ারাপুর ৯ নং ওয়ার্ডের বি এন পি সদস্য বর্তমানে রয়েছেন তিনি রাজনীতি জীবনে কখনো খারাপ কোন কাজের সাথে জড়িত ছিলেন না রাজনীতির পাশাপাশি ছোটখাটো ব্যবসা করে তার জীবন যাপন করেছেন এবং তার ছোট্ট একটি পরিবারে স্ত্রী সহ দুটি মেয়ে কে নিয়ে এই অসহায় ভাবে জীবন যাপন করেন ফ্যামিলিকে দেখার মত নাই কেউ এমন একটি পরিবার উপর অতর্কিত হামলা একটাই দোষ বি এন পি রাজনীতি
করা
তাহলে কি এখনো দেশ স্বাধীন হয়নি যদি স্বাধীন হয়ে থাকে তাহলে কি রাজনীতি করার স্বাধীনতা নিরীহ মানুষের নেই, স্বাধীন রাষ্ট্রে স্বাধীনভাবে মানুষ বাঁচতে পারবে না ৯ নং ওয়ার্ড পিয়ারাপুর বিএনপি নেতা রুহুল আমিন বলি হয়ে গেলেন জামাত নেতাদের কাছেই,
পিয়ারাপুর ৯ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ পাড় রবিবার ২৬ শে মার্চ সন্ধ্যা 8টায় বিএন পি নেতা রুহুল আমিনের উপর ছাত্রশিবিরের অতর্কিত হামলায় পরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পিয়ারাপুর জামাত নেতা সুমন এবং ইউসুফ আরো অন্যান্য নেতারা দলবদ্ধভাবে তাদের সাথে থাকেন এবং নেতারা ঘটনাস্থলে বিভিন্ন পরিদর্শন কালে বলেন যে কোন মামলা করতে দেওয়া যাবে না এটা আমরা দেখব ঠিক কোন মামলা করতে দেওয়া হয়নি তাহলে রুহুল আমিন কি অতর্কিত হামলাকারীদের কে আইনের আওতায় আনতে পারবে না
স্বাধীন রাষ্ট্রে থেকেও বিচার পাবে না মিডিয়ার ক্যামেরায় বন্দী হয়ে আছেন
এবং পিয়ারাপুর ইস্কুলের সামনে দোকান মালিক
বাঁড়া টিয়া হিরুকে দিয়ে জামাত নেতা সুমন ইউসুফের নেতৃত্বে হিন্দুদের বাজি ও বোম বিক্রি করে মুসলমানের ধর্মকে হিন্দুদের সাথে পরিণত করেন বর্তমানে এখনো তবিয়তে বহাল রয়েছে যাহা
হিরুর দোকান তল্লাশিতে পাওয়া যাবে , বোম ও বাজি
এবং পিয়ারাপুর বাজারের উপরে ভাড়াটিয়া লিফনের দোকানের পিছনে বর্তমান তরুণদের গাঞ্জা সহ অন্যান্য আড্ডার ব্যবস্থা রয়েছে যা বর্তমান সমাজ ব্যবস্থা ধ্বংস তাহলে মসজিদে জামাত নেতারা বক্তব্য দেন কালী পূজাই বাজি এবং বোম ফুটবে আর সে বোম বাজি ও নিশা জামাত নেতাদের বাড়ির দরজায় আড্ডাখানা করে দিয়েছেন তাহলে আগামীর সমাজ ব্যবস্থা ভালো দিক কোথায় দেখাবে কে পর্ব 1