শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বাংলাদেশের মুখপত্রে আপনাকে স্বাগতম।
শিরোনাম :
রাজৈরে জামায়াতে ইসলামীর ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাজৈরে ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা কর্মচারীদের ১ ঘন্টা কলম বিরতীর আহ্বান। ঘুষ ও দুর্নীতির স্বর্গরাজ্য নারায়নগঞ্জের মদনপুর কেওডালা ভূমি অফিস, তহসিলদার মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান অবৈধভাবে গড়েছেন কোটি কোটি টাকার সম্পদ বিআইডব্লিউটিএর নতুন চেয়ারম্যান মুহিদুল ইসলাম কর্মসংস্থান ব্যাংক পেল ১ হাজার কোটি টাকার তহবিল নির্ভীক সাংবাদিক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী আজ স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলায় ছয় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে থানায় মামলা * স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত প্রতিবেদন ৩ জুন রাজৈরে কোরবানীর পশুর চামড়ার বর্জ্য ফেলার কারণে মারা গেল ১০ লাখ টাকার মাছ চর কাদিরা ৩ নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী মোহাম্মদ সোলাইমানের পক্ষ থেকে সর্বস্তরের জনগণকে ঈদের শুভেচ্ছা

এক যুগ আগের মামলায় ইনকিলাব সম্পাদকসহ চার সাংবাদিক খালাস

বাংলাদেশের মুখপত্র ডেস্ক :
  • আপডেট সময় বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬

মো: লুৎফর রহমান (খাজা শাহ্): দীর্ঘ ১২ বছর আগে সাতক্ষীরায় যৌথ অভিযানে ভারতীয় সেনাবাহিনী সহায়তা করছে মর্মে প্রতিবেদন প্রকাশের ঘটনায় রাজধানীর ওয়ারী থানায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে (বর্তমান বাতিল) করা মামলায় দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীনসহ চার সাংবাদিককে বেকসুর খালাসের রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ সাইদুর রহমান গাজীর আদালত গত ১৬ মার্চ এ রায় ঘোষণা করেন। গতকাল মঙ্গলবার আদালত সূত্রে রায় ঘোষণার এ তথ্য জানা গেছে।

খালাসপ্রাপ্ত অপর তিন সাংবাদিকেরা হলেন, প্রতিষ্ঠানটির বার্তা সম্পাদক রবিউল্লাহ রবি, উপ-প্রধান প্রতিবেদক রফিক মুহাম্মদ ও কূটনৈতিক প্রতিবেদক আহমেদ আতিক।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ১৬ জানুয়ারি সাতক্ষীরায় যৌথ অভিযানে ভারতীয় সেনাবাহিনী সহায়তা করছে বলে প্রতিবেদন প্রকাশের পর সন্ধ্যা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে বার্তা সম্পাদকসহ চারজনকে আটক, ছাপাখানা সিলগালা এবং কম্পিউটার জব্দ করে গোয়েন্দা পুলিশ। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে সাতক্ষীরায় গণআন্দোলন দমাতে সরকার ভারতীয় বাহিনীকে অপারেশনে নামিয়েছে।

 

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অনুমতি সাপেক্ষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দিল্লির কাছে এ সেনা সহায়তা চেয়ে চিঠি দেয়। ইনকিলাবে ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর সরকারের এক ভাষ্যে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ভারতীয় বাহিনীর উপস্থিতির খবরটি বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছিল।

ওই ঘটনায় ২০১৪ সালের ১৬ জানুয়ারি গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক মো. জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে ওয়ারী থানায় তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর প্রতিষ্ঠানটির বার্তা সম্পাদক রবিউল্লাহ রবি, উপ-প্রধান প্রতিবেদক রফিক মুহাম্মদ ও কূটনৈতিক প্রতিবেদক আহমেদ আতিককে ইনকিলাবের অফিস থেকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। এসময় ইনকিলাবের বার্তাকক্ষে ভাঙচুর ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস নিয়ে যায়। কূটনৈতিক প্রতিবেদক আহমেদ আতিককে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। রিমান্ড নিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি আদায় করা হয়। পরবর্তীতে আহমেদ আতিক এ জবানবন্দি প্রত্যাহারের আবেদন করেন। দীর্ঘদিন ধরে জেলহাজতে থাকার পর আদালত থেকে বিভিন্ন সময়ে এ তিন সাংবাদিক জামিন পান।

এদিকে, দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীন একই বছরের ১৪ মে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান।

মামলাটির দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত বছরে নভেম্বর মাসে গোয়েন্দা পুলিশ চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত না হওয়ায় অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তাদের এ মামলায় থেকে বেকসুর খালাস দেন।

সাংবাদিকদের পক্ষে আইনজীবী মো. আজিজুল রহমান শাহ বলেন, ২০১৪ সাল থেকে চার সাংবাদিক নিয়মিত আদালত হাজিরা দিয়ে আসছেন। গোয়েন্দা পুলিশ পক্ষে দায়ের করা মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলাটিতে দীর্ঘ দিন পর হলেও বিজ্ঞ আদালত ন্যায় বিচার করেছেন।

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর