শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বাংলাদেশের মুখপত্রে আপনাকে স্বাগতম।
শিরোনাম :
মজুচৌধুরীহাটে কোস্টগার্ড ও প্রশাসনের নাকের ডগায় কোটি টাকার অবৈধ তেল চোরাচালান মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় এনসিপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০; গ্রেপ্তার ৫ বিজিবি’র সঙ্গে ভারতীয় চোরাকারবারিদের গোলাগুলি;পিস্তল-গুলি-ইয়াবাসহ ভারতীয় নাগরিক আটক জেলা রেজিস্ট্রার নূর নেওয়াজ ক্ষমতার অপব্যবহার করে খামখেয়ালী ভাবে কাজী নিয়োগ, ব্যবস্থা নিতে আইন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ কাজী খোরশেদ আলম সহ সংশ্লিষ্ট পক্ষের বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ ডিএমপির মতিঝিল বিভাগে বিভিন্ন অপরাধে ৭৪ গ্রেফতার চকবাজারে ২০ ইয়াবা সহ ২জন গ্রেফতার মো: মনির হোসেনকে ডা. আনোয়ারুল আজীম ও মাহমুদুর রহমান মুরাদের শুভেচ্ছা মাদারীপুর শিবচর থানাধীন মাদবরচর ইউনিয়নের বাখরের কান্দি হইতে এক যুবতি নারীর মৃতদেহ উদ্ধার কমলনগরে ইজারা নিয়েও আতঙ্কে ব্যবসায়ী: সাবেক টোল আদায়কারী ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ এর জায়গায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেছেন ওমর ফারুক ফিরণ

বাংলাদেশের মুখপত্র ডেস্ক :
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬

ওমর ইউসুফ রুবেল,লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরের মজুচৌধুরীহাট এলাকায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ এর সরকারি জায়গায় অবৈধভাবে দোকানঘর নির্মাণ এবং নদী খননের মাটি লুট করে ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ব্যক্তি হলেন শাকচর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ওমর ফারুক ফিরণ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি নদী খননের সময় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ নদীর তীরে বিপুল পরিমাণ খননকৃত মাটি সংরক্ষণ করে রাখে। অভিযোগ রয়েছে, সেই মাটি অবৈধভাবে সরিয়ে এনে সরকারি জায়গায় নির্মাণাধীন দোকানঘরের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।
এলাকাবাসীর দাবি, ওমর ফারুক ফিরণ মেম্বার নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে বিভিন্নভাবে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে আসছেন। সরকারি জায়গা দখল ও সরকারি সম্পদ ব্যবহারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।   
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ওমর ফারুক ফিরণ বলেন, এটা সরকারি জমি। সরকার চাইলে আমি এখান থেকে উঠে যাব। আর যে মাটি আমি নিয়েছি, সরকার চাইলে তা নিয়ে যেতে পারবে।
এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ এর ফোড অফিসার শাহ আলম এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এই বিষয়ে আমি কিছু জানি না। যদি দেখি এখান থেকে মাটি লুট এবং ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে, তাহলে আমি আমার পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেব। বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখছি।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, সরকারি জায়গা দখল ও নদী খননের মাটি লুটের মতো ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। অন্যথায় নদী রক্ষা ও সরকারি সম্পদ সংরক্ষণ কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ হবে। মাননীয় পানি সম্পদ মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর