শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১২ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বাংলাদেশের মুখপত্রে আপনাকে স্বাগতম।
শিরোনাম :
প্রধান বিচারপতির এজলাস ত্যাগ বিষয়টি সংসদের উদ্বেগ পুলিশ পরিদর্শক আশিক ইকবাল বংশাল থানার নতুন ওসি পুলিশ পরিদর্শক মো: আরিফুল আলম পল্টন থানার নতুন ওসি মজুচৌধুরীহাটে কোস্টগার্ড ও প্রশাসনের নাকের ডগায় কোটি টাকার অবৈধ তেল চোরাচালান মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় এনসিপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০; গ্রেপ্তার ৫ বিজিবি’র সঙ্গে ভারতীয় চোরাকারবারিদের গোলাগুলি;পিস্তল-গুলি-ইয়াবাসহ ভারতীয় নাগরিক আটক জেলা রেজিস্ট্রার নূর নেওয়াজ ক্ষমতার অপব্যবহার করে খামখেয়ালী ভাবে কাজী নিয়োগ, ব্যবস্থা নিতে আইন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ কাজী খোরশেদ আলম সহ সংশ্লিষ্ট পক্ষের বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ ডিএমপির মতিঝিল বিভাগে বিভিন্ন অপরাধে ৭৪ গ্রেফতার চকবাজারে ২০ ইয়াবা সহ ২জন গ্রেফতার

প্রধান বিচারপতির এজলাস ত্যাগ বিষয়টি সংসদের উদ্বেগ

বাংলাদেশের মুখপত্র ডেস্ক :
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মো: লুৎফর রহমান (খাজা শাহ্): বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির (বার অ্যাসোসিয়েশন) সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এবং প্রধান বিচারপতির এজলাস ত্যাগের ঘটনাটি উঠে এসেছে জাতীয় সংসদে।

এ বিষয়ে সংসদে বিষয়টি নজরে আনেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদীয় দলের মুখপাত্র নাজিবুর রহমান। গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে নাজিবুর রহমান পয়েন্ট অব অর্ডারে প্রসঙ্গটি তুলেছিলেন।

এ ব্যপারে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, খোকনের এ ধরনের আচরণ সঠিক ছিল না।

নাজিবুর রহমান বলেন, জনগণের ন্যায়বিচার পাওয়ার সর্বশেষ আশ্রয়স্থল বিচার বিভাগে এ ধরনের ঘটনা জনগণকে কী বার্তা দিচ্ছে? বিষয়টি ফ্যাসিবাদী আমলে প্রধান বিচারপতিকে অস্ত্রের মুখে পদত্যাগ করতে বাধ্য করার ঘটনার বার্তা দিচ্ছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে হবে। এ বিষয়ে তিনি আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানের কাছে ব্যাখ্যা চান।

গত মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে একটি মামলায় আইনজীবীকে জরিমানার (কস্ট) আদেশ নিয়ে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি মাহবুব উদ্দিন খোকনের মধ্যে কথোপকথনের একপর্যায়ে প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগের সব বিচারপতি এজলাস ছেড়ে চলে যান।

নাজিবুর রহমানের বক্তব্যের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ঘটনাটি সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে ঘটেছে। এটি রাষ্ট্রের কোনো অর্গানের মধ্যেই পড়েনি। তবে এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে কেউ ঘটাবেন না বলে মনে করি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের সম্মানিত সংসদ সদস্য, সুপ্রিম কোর্ট বারের প্রেসিডেন্ট ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, উনার সঙ্গে প্রধান বিচারপতির একটি বাদানুবাদের ঘটনা ঘটে, যার প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি এবং সব আপিল বিভাগের বিচারপতি তাদের এজলাস ত্যাগ করেন এবং গতকালকে (মঙ্গলবার) তারা আর কোর্টে ফিরে আসেননি।

ঘটনার সময় নিজে উপস্থিত ছিলেন উল্লেখ করে নাজিবুর রহমান বলেন, মূল ঘটনাটি যখন ঘটে, সে সময় আমি কোর্টে উপস্থিত ছিলাম। একজন আইনজীবীকে বারংবার সত্যকে গোপন করে রিট করার কারণে পেনাল্টি হিসেবে জরিমানা করা হয়, যার পরিপ্রেক্ষিতে এই ঘটনার সূত্রপাত হয়।

তিনি বলেন, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন শুধু একজন আইনজীবী নন, তিনি সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি। একই সঙ্গে তিনি এই সংসদের একজন সম্মানিত সদস্য, সরকারি দলের একজন প্রভাবশালী সদস্য। আমরা যে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার কথা বলি; জনগণের ন্যায়বিচার পাওয়ার সর্বশেষ আশ্রয়স্থল বিচার বিভাগে এ ধরনের ঘটনা জনগণকে কী বার্তা দিচ্ছে, তা আমাদের চিন্তা করা উচিত।

‘ঘর পোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় পায়’—প্রবাদ বাক্যের উদ্ধৃতি দিয়ে নাজিবুর রহমান বলেন, অতীতে এক দুঃখজনক ঘটনা আমরা দেখেছি। ফ্যাসিবাদী আমলে প্রধান বিচারপতিকে অস্ত্রের মুখে তার পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। এ ধরনের ঘটনা সেই বার্তা দিচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা আবশ্যক।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর