বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১০:১০ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বাংলাদেশের মুখপত্রে আপনাকে স্বাগতম।
শিরোনাম :
লালমোহনে স্থানীয় নির্বাচনে প্রতিটি ইউনিয়নে বিএনপি’র একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী সরিষাবাড়ি  পৌরসভার প্রায় সহস্রাধিক গ্রাহক পানি সংকটে বেলকুচিতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রেলওয়ের সাবেক প্রকৌশলী শাহ আলমের ইন্তেকাল, বিভিন্ন স্থানে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ছাতকের চেলা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনকারী ২৬ জনের বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলা মাদারীপুরে ভুয়া তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে ৫ কোটি টাকার মানহানি মামলা রাজধানী গুলিস্তানে চাঁদাবাজদের খুঁটির জোর কোথায় মাদারীপুর কালকিনিতে স্ত্রীকে গলাকেটে হত্যা, স্বামী আটক ডিবি কর্তৃক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পলাতক আসামি অবসরপ্রাপ্ত মেজর মোজাফফর হোসেনকে গ্রেফতার বিএসএফের বাঁধা- ৫ বছরেও শেষ হয়নি মনুর বেড়িবাঁধের কাজ

জুয়ার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় চেয়ারম্যান কে হয়রানি

বাংলাদেশের মুখপত্র ডেস্ক :
  • আপডেট সময় সোমবার, ২২ আগস্ট, ২০২২
 ওমর ইউসুফ রুবেলঃ
মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় লক্ষ্মীপুরের কমল নগর উপজেলাধীন ৯ নং তোরাবগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে একটি মহল। নবনির্বাচিত তরুণ চেয়ারম্যান মির্জা আশ্রাফুল জামাল রাসেলের জনবান্ধব কর্মসূচী ও জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিপক্ষরা তার বিরুদ্ধে নানান অপপ্রচারে নেমেছে। ১৭ আগষ্ট রাতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাদক বিরোধী অভিযানে তোরাবগঞ্জ বাজারে তিনি সাথে থাকেন। এসময় কয়েকটি ওয়ার্ডে জুয়ার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে বেশ কয়েকটি স্পটে গেলে জুয়াড়িরা পালিয়ে যায়। রাত সাড়ে বারোটায় স্থানীয় ইব্রাহিম খলিলের দোকানে গেলে দেখেন জুয়া খেলায় মেতেছে একটি গ্রুপ। এসময় দোকানে জুয়ার আসর জমানো ও গভীর রাতে দোকান খোলা রাখায় ইব্রাহিমের সাথে চেয়ারম্যানের বাগবিতণ্ডা হয়। পরে চেয়ারম্যান তাকে সতর্ক করে চলে আসেন। বিষয়টি নিয়ে একটি মহল ভুল তথ্য দিয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণোদিত সংবাদ পরিবেশন করে। মুলতঃ চেয়ারম্যানকে হয়রানির উদ্দেশ্যে এধরণের সংবাদ বলে স্থানীরা জানান। জুয়া বিরোধী অভিযানে চেয়ারম্যানের সাথে থাকা গ্রাম পুলিশ আলমগীর জানান, জুয়া ও মাদক বিরোধী অভিযানে চেয়ারম্যানের সাথে আমিও ছিলাম। ইব্রাহিমের দোকানে সারারাত জুয়ার আসর চলে, এই সংবাদের ভিত্তিতে আমরা সেখানে যাই। সেখানে জুয়ার আসর বন্ধ ও রাত দশটার মধ্যে দোকান বন্ধ করার নির্দেশ দিলে চেয়ারম্যানের সাথে ইব্রাহিমের কথা কাটাকাটি হয়। এ বিষয়ে জানতে চেয়ারম্যান মির্জা আশ্রাফুল জামাল রাসেলকে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, আমার এলাকার মানুষ গরীব শ্রমজীবি। ব্রিকফিল্ড থেকে টাকা লগ্নি নিয়ে জুয়া খেলে শেষ করে ফেলে। মহিলারা আমার বাড়িতে এসে কান্নাকাটি করে। পরবর্তীতে এরা এলাকায় চুরিচামারি করে। ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি বাজার ও দোকানে জুয়ার আসর বসে। এসব জুয়ার আসর বন্ধ ও মাদকের বিরুদ্ধে এলাকায় মাইকিং করে প্রচার করি। আমার বিরুদ্ধে একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে।সাংবাদিক ভাইদের ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদ পরিবেশন করে। প্রশাসন ও এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে মাদক ও জুয়াকে কঠোর ভাবে দমন করবো।

Omar

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর