শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বাংলাদেশের মুখপত্রে আপনাকে স্বাগতম।
শিরোনাম :
রাজৈরে জামায়াতে ইসলামীর ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাজৈরে ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা কর্মচারীদের ১ ঘন্টা কলম বিরতীর আহ্বান। ঘুষ ও দুর্নীতির স্বর্গরাজ্য নারায়নগঞ্জের মদনপুর কেওডালা ভূমি অফিস, তহসিলদার মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান অবৈধভাবে গড়েছেন কোটি কোটি টাকার সম্পদ বিআইডব্লিউটিএর নতুন চেয়ারম্যান মুহিদুল ইসলাম কর্মসংস্থান ব্যাংক পেল ১ হাজার কোটি টাকার তহবিল নির্ভীক সাংবাদিক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী আজ স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলায় ছয় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে থানায় মামলা * স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত প্রতিবেদন ৩ জুন রাজৈরে কোরবানীর পশুর চামড়ার বর্জ্য ফেলার কারণে মারা গেল ১০ লাখ টাকার মাছ চর কাদিরা ৩ নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী মোহাম্মদ সোলাইমানের পক্ষ থেকে সর্বস্তরের জনগণকে ঈদের শুভেচ্ছা

ভোলার তজুমদ্দিনে ভিজিডির চাল নিতে ৪৫০ টাকা অতিরিক্ত চাঁদা

মোঃ মহসিন (শাহীন)
  • আপডেট সময় শনিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫

ভোলা জেলার তজুমদ্দিন উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নে বিজিডি কর্মসূচির চাল উত্তোলনে ৪৫০ টাকা করে অতিরিক্ত চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মেজবা উদ্দিন সম্রাট–এর বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সকাল ১০টায় গরীব মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত চাঁদা দাবি করা হলে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী প্রতিবাদে ফেটে পড়ে এবং স্লোগান তোলে—
“শম্ভুপুরে চাঁদাবাজি চলবে না—চলবে না।”

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সচিব মেজবা উদ্দিন সম্রাট প্রায় ২০ বছর ধরে একই ইউনিয়নে থেকে বিভিন্ন সরকারি সুবিধা দিতে গিয়ে নিয়মিত অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে আসছেন।

তারা জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তজুমদ্দিন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলু দেওয়ানের সহযোগিতা ব্যবহার করে তিনি বহু বছর মানুষের কাছ থেকে অবৈধ চাঁদা নিতেন। পরবর্তীতে ইউনিয়ন পরিষদের রাছের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পরও এই চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি।

জানা যায়, সচিবকে একাধিকবার বদলি করা হয়েছে। কিন্তু তিনি প্রতি বার শম্ভুপুরে ফের ফিরে আসেন এবং রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব খাটিয়ে অব্যাহতভাবে চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছেন।

মানুষের কাছ থেকে সরাসরি টাকা সংগ্রহ করেন ইউনিয়ন পরিষদের চৌকিদার জামাল চৌকিদার।
তিনি বলেন,
“সচিবের নির্দেশে আমি টাকা নিই; এখানে আমার কোনো দোষ নেই।”

অন্যদিকে সচিব মেজবা উদ্দিন সম্রাট দাবি করেন,
“মালামাল দেখাশোনা করেন চৌকিদাররা—তাদের অতিরিক্ত খরচ হয়, তাই উপকারভোগীদের কাছ থেকে কিছু টাকা নিতে হয়।”

কিন্তু উপস্থিত স্থানীয়রা এই বক্তব্যকে মিথ্যা ও অগ্রহণযোগ্য বলে আখ্যায়িত করেন। তারা বলেন,
“চৌকিদারেরা সরকারি জনবল—তাদের বেতন সরকার দেয়। সরকারি মালামাল দিতে গিয়ে জনগণের কাছ থেকে বাড়তি টাকা নেওয়ার কোনো নিয়ম নেই।”

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক উপকারভোগী বলেন,
“উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতার প্রভাব এবং বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদের নেতাদের ছত্রছায়ায় সচিব সম্রাট লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদাবাজি করছে।”

এলাকাবাসী অনতিবিলম্বে স্বচ্ছ তদন্ত, জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা এবং উপকারভোগীদের হয়রানি বন্ধের জোর দাবি জানিয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর