তারেক উদ্দিন জাবেদ : চেক মামলায় গ্রেফতারের পর আবদুল কুদ্দুস (৪৫) নামে এক ফার্মেসি ব্যবসায়ীর পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২০ এপ্রিল) রাত পৌনে ১১ টার দিকে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এর আগে সন্ধ্যা ৭টার দিকে পৌর শহরের বাঞ্চানগর এলাকার মেঘনা রোডের হাসেম মঞ্চিলের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করে সদর থানা পুলিশ।
নিহত আবদুল কুদ্দুছ সদর উপজেলার রাধাপুর গ্রামের আব্দুল্যাহ চৌধুরীর ছেলে ও কসমিক ফার্মাসিটিক্যালস এর এরিয়া ম্যানেজার এবং মিনহাজ মেডিকেল (ফার্মেসী) এর মালিক।
জানা যায়, মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিআর ১৪/২০ মামলার (চেক ডিজওনার)পরোয়ানাভুক্ত আসামী আব্দুল কুদ্দুছকে গ্রেফতার করে সদর থানা পুলিশ।
পরে থানা হেফাজতে নেয়ার পর তার বুকে ব্যাথা অনুভব হয়।
রাত ১০টার দিকে তাকে সদর হাসপাতালে নিলে পৌনে ১১ টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
তবে এসময় আব্দুল কুদ্দুছের আত্মীয় পরিচয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সদর হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের জানান,রাতে তাকে সুস্থ অবস্থায় পুলিশ গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।
এরপর সাড়ে দশটার দিকে অসুস্থ হয়েছে বলে পুলিশ তাকে হাসপাতাল নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় ।
ওই আত্মীয়ের দাবী পুলিশের হেফাজতে একজন সুস্থ মানুষ এর মৃত্যুর ঘটনা প্রশ্নবিদ্ধ।
তাছাড়া মৃত্যুর পরে পুলিশের দায়িত্বে হাসপাতাল থেকে মরদেহ তড়িঘড়ি অ্যাম্বুলেন্সে উঠিয়ে ময়না তদন্ত ছাড়াই পরিবারে হস্তান্তরের জন্য নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়া হয়।
পরে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে এ প্রচেষ্টা থেমে যায়।
বিষয়টি নিয়েও প্রশ্নের সৃষ্টি হয় বলে জানান আত্মীয়রা।
সহ-কারি পুলিশ সুপার মিমতানুর রহমান জানান, ওয়ারেন্টমূলে আসামীকে গ্রেফতার করার পর অসুস্থ্য হয়ে পড়লে হাসপাতালে ভর্তি করানোর পর তিনি মারা যান। মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হবে। পুলিশি নির্যাতনে মারা গেছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।