মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২১ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বাংলাদেশের মুখপত্রে আপনাকে স্বাগতম।
শিরোনাম :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সাংবাদিক হেনস্তার ঘটনায় ভূমি কর্মকর্তা স্ট্যান্ড রিলিজ সংরক্ষিত আসনে এমপি হচ্ছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রীর মেয়ে জহরত আদিব পল্টনে ১মাসে ১শ৯৪জন গ্রেফতার ২৭ টি মোবাইল উদ্ধার ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত অকটেন ও পেট্রোল সংকটে ধুঁকছে নবীনগর: সক্রিয় অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট; রাতের আঁধারে বাড়তি দামে বিক্রি লক্ষীপুর পৌরসভা ফিরোজ মিয়া তৈলের পাম্পের ম্যানেজার অহিদ/ অধূদের অত্যাচারে ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে রাজধানীর কোতোয়ালী থানা এলাকায় দুর্বৃত্তদের হামলায় যুবদল নেতা গুলিবিদ্ধ নবীনগর আহমেদ প্রাইভেট হাসপাতালে সিজারের রোগীকে মেরে ফেলার অভিযোগে হাসপাতাল ভাংচুর  চিরসবুজ নায়ক আলমগীরের ৭৬তম জন্মদিন পালিত বাংলাদেশে জাপান ফাউন্ডেশনের অফিস স্থাপনে আহ্বান প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হকের

লক্ষ্মীপুরে গ্রেফতারের পর আসামির মৃত্যু

বাংলাদেশের মুখপত্র ডেস্ক :
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২১ এপ্রিল, ২০২২
তারেক উদ্দিন জাবেদ : চেক মামলায় গ্রেফতারের পর আবদুল কুদ্দুস (৪৫) নামে এক ফার্মেসি ব্যবসায়ীর পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২০ এপ্রিল) রাত পৌনে ১১ টার দিকে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এর আগে সন্ধ্যা ৭টার দিকে পৌর শহরের বাঞ্চানগর এলাকার মেঘনা রোডের হাসেম মঞ্চিলের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করে সদর থানা পুলিশ।
নিহত আবদুল কুদ্দুছ সদর উপজেলার রাধাপুর গ্রামের আব্দুল্যাহ চৌধুরীর ছেলে ও কসমিক ফার্মাসিটিক্যালস এর এরিয়া ম্যানেজার এবং মিনহাজ মেডিকেল (ফার্মেসী) এর মালিক।
জানা যায়, মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিআর ১৪/২০ মামলার (চেক ডিজওনার)পরোয়ানাভুক্ত আসামী আব্দুল কুদ্দুছকে গ্রেফতার করে সদর থানা পুলিশ।
পরে থানা হেফাজতে নেয়ার পর তার বুকে ব্যাথা অনুভব হয়।
রাত ১০টার দিকে তাকে সদর হাসপাতালে নিলে পৌনে ১১ টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
তবে এসময় আব্দুল কুদ্দুছের আত্মীয় পরিচয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সদর হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের জানান,রাতে তাকে সুস্থ অবস্থায় পুলিশ গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।
এরপর সাড়ে দশটার দিকে অসুস্থ হয়েছে বলে পুলিশ তাকে হাসপাতাল নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় ।
ওই আত্মীয়ের দাবী পুলিশের হেফাজতে একজন সুস্থ মানুষ এর মৃত্যুর ঘটনা প্রশ্নবিদ্ধ।
তাছাড়া মৃত্যুর পরে পুলিশের দায়িত্বে হাসপাতাল থেকে মরদেহ তড়িঘড়ি অ্যাম্বুলেন্সে উঠিয়ে ময়না তদন্ত ছাড়াই পরিবারে হস্তান্তরের জন্য নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়া হয়।
পরে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে এ প্রচেষ্টা থেমে যায়।
বিষয়টি নিয়েও প্রশ্নের সৃষ্টি হয় বলে জানান আত্মীয়রা।
সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আনোয়ার হোসেন বলেন, কুদ্দুস স্ট্রোক করেছেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
সহ-কারি পুলিশ সুপার মিমতানুর রহমান জানান, ওয়ারেন্টমূলে আসামীকে গ্রেফতার করার পর অসুস্থ্য হয়ে পড়লে হাসপাতালে ভর্তি করানোর পর তিনি মারা যান। মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হবে। পুলিশি নির্যাতনে মারা গেছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর