বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪২ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বাংলাদেশের মুখপত্রে আপনাকে স্বাগতম।
শিরোনাম :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সাংবাদিক হেনস্তার ঘটনায় ভূমি কর্মকর্তা স্ট্যান্ড রিলিজ সংরক্ষিত আসনে এমপি হচ্ছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রীর মেয়ে জহরত আদিব পল্টনে ১মাসে ১শ৯৪জন গ্রেফতার ২৭ টি মোবাইল উদ্ধার ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত অকটেন ও পেট্রোল সংকটে ধুঁকছে নবীনগর: সক্রিয় অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট; রাতের আঁধারে বাড়তি দামে বিক্রি লক্ষীপুর পৌরসভা ফিরোজ মিয়া তৈলের পাম্পের ম্যানেজার অহিদ/ অধূদের অত্যাচারে ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে রাজধানীর কোতোয়ালী থানা এলাকায় দুর্বৃত্তদের হামলায় যুবদল নেতা গুলিবিদ্ধ নবীনগর আহমেদ প্রাইভেট হাসপাতালে সিজারের রোগীকে মেরে ফেলার অভিযোগে হাসপাতাল ভাংচুর  চিরসবুজ নায়ক আলমগীরের ৭৬তম জন্মদিন পালিত বাংলাদেশে জাপান ফাউন্ডেশনের অফিস স্থাপনে আহ্বান প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হকের

ভবন তৈরির আগে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের মুখপত্র ডেস্ক :
  • আপডেট সময় রবিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২২

শিল্প প্রতিষ্ঠানসহ যেকোনো ভবন নির্মাণের আগে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

রোববার (২৪ এপ্রিল) দেশে নতুন ৪০টি ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতর চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন সরকারপ্রধান।

অন্যদিকে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মো. মোকাব্বির হোসেন ও ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসাইনসহ অন্য কর্মকর্তারা।

দেশের প্রতিটি উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন গড়ে তোলার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের সুরক্ষার জন্য দেশের দুর্গম অঞ্চলেও ফায়ার সার্ভিস স্টেশন করছে। জুনে আরও ৫৫টি স্টেশন হবে।

ফায়ার ফাইটারদের দেশে-বিদেশে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও অনুষ্ঠানে জানান সরকারপ্রধান।

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার আগে দেশে ফায়ার স্টেশনের সংখ্যা ছিল ২০৬টি। ক্ষমতায় আসার পর সরকার ফায়ার স্টেশনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে এর সংখ্যা আরও বৃদ্ধির পরিকল্পনা নেয়। সেজন্য প্রতি উপজেলায় ফায়ার স্টেশন স্থাপনের নির্দেশনা দেন শেখ হাসিনা। এরই অংশ হিসেবে বিভিন্ন সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্মাণ করা হয়েছে আরও ২৫০টি ফায়ার স্টেশন। দুটি প্রকল্পের অধীনে ২০১২ সালে আরও ৯৫টি ফায়ার স্টেশন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়। এর মধ্যে ৪০টি ফায়ার স্টেশনের কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হয়েছে। বাকি নির্মাণাধীন থাকা ৫৫টি ফায়ার স্টেশনের কাজ জুনে শেষ হবে।

আজ যেসব ফায়ার সার্ভিস স্টেশন উদ্বোধন করা হয়েছে সেগুলো হলো- টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ফায়ার স্টেশন, মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর, দৌলতপুর ও সাটুরিয়া ফায়ার স্টেশন, গাজীপুরের কাপাসিয়া, মুন্সীগঞ্জ সদর (পুনর্নির্মাণ) ও সিরাজদিখান, মাগুরা সদর (পুনর্নির্মাণ), কিশোরগঞ্জের নিকলী স্থল কাম-নদী, ঢাকার কল্যাণপুর, জামালপুর সদর ও সরিষাবাড়ী (পুনর্নির্মাণ), যশোর সদর ও ঝিকরগাছা (পুনর্নির্মাণ), যশোর সেনানিবাস, যশোরের চৌগাছা ও কেশবপুর, বাগেরহাটের মোল্লাহাট, ফরিদপুর সদর (পুনর্নির্মাণ), চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ, খাগড়াছড়ির পানছড়ি, সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার, কিশোরগঞ্জের ইটনা, অষ্টগ্রাম, হোসেনপুর, মিঠামইন ও পাকুন্দিয়া, মেহেরপুরের মুজিবনগর, রাজবাড়ীর কালুখালী, সাতক্ষীরার দেবহাটা, নোয়াখালীর কবিরহাট, বিবাড়ীয়ার বিজয়নগর, বান্দরবানের থানচি ও রামু, খুলনার দাকোপ ও বটিয়াঘাটা, হবিগঞ্জের চুনারুঘাট, নেত্রকোনার পূর্বধলা, ময়মনসিংহের গৌরীপুর এবং মাদারীপুরের কালকিনি ফায়ার স্টেশন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর