মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৫:২২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বাংলাদেশের মুখপত্রে আপনাকে স্বাগতম।
শিরোনাম :
বাদামতলীতে ফলের গাড়িতে দেদারসে চাঁদাবাজি আন্তর্জাতিক নারী দিবসে উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ক্ষুদ্র ঋণের চেক বিতরণ পাঁচ সাংবাদিককে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার ও উপ–প্রেস সচিব পদে নিয়োগ শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির ইফতার ও দোয়া মাহফিল ঢাকা পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: ২৮ জনের নাম উল্লেখ করে ছাত্রদলের মামলা ডিএমপি কমিশনারের দায়িত্বে অতিরিক্ত আইজিপি সরওয়ার নবীনগরে রমজানের বাজার মনিটরিংয়ে সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নান শ্রীনগরে আইন-শৃঙ্খলা ও মাসিক সাধারণ সভায় মুন্সীগঞ্জ-০১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ শেরপুরে আবাদি জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে পুকুর খনন তাড়াশ পৌরসভার অবকাঠামো উন্নয়নের কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের বিরুদ্ধে

শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির ইফতার ও দোয়া মাহফিল

ইয়াফিদ আদনান মুন্না
  • আপডেট সময় বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি-এর আইন বিভাগের উদ্যোগে “ইফতার ও দোয়া মাহফিল ২০২৬” অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিভাগীয় শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, সম্মানিত শিক্ষকমণ্ডলী এবং গর্বিত অ্যালামনাইদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত ও অর্থবহ হয়ে ওঠে।

অনুষ্ঠানটি বিকাল ৪:৪৫ মিনিটে অতিথিদের আসন গ্রহণের মাধ্যমে শুরু হয়। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে মূল কার্যক্রমের সূচনা করা হয়। পরবর্তীতে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করা হয় এবং অ্যালামনাই প্রতিনিধিরা বক্তব্যে তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তারা বর্তমান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক ও অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

সম্মানিত শিক্ষকমণ্ডলী তাদের বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ, শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সম্প্রীতির গুরুত্ব তুলে ধরেন। প্রধান অতিথি ও বিভাগীয় প্রধান তাঁর সমাপনী বক্তব্যে বিভাগের অগ্রযাত্রা, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে আলোকপাত করেন।

অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল জুনিয়র–সিনিয়র ও অ্যালামনাইদের মিলনমেলা। এ আয়োজনে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়। বক্তব্য পর্ব শেষে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে গ্রুপ ফটোগ্রাফির আয়োজন করা হয়।

পরবর্তীতে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়, বিভাগ, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সকলের মঙ্গল ও কল্যাণ কামনা করা হয়। আজানের সঙ্গে সঙ্গে সবার মাঝে সুশৃঙ্খলভাবে ইফতার পরিবেশন করা হয়। উপস্থিত সকলের জন্য মানসম্মত ও পরিপাটি খাবারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছিল।

সমগ্র আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন করতে যারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছেন—বিশেষ করে সি আরবৃন্দ ও স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষার্থীরা—তাদের প্রতি আয়োজকদের পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এ ধরনের ধর্মীয় ও সামাজিক আয়োজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে সৌহার্দ্য, ঐক্য ও পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আয়োজকরা ভবিষ্যতেও এ ধরনের গঠনমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর