আদম মালেক:
এফজালুল করিম খিলবাইছা রাহমানিয়া ফাজিলডিগ্রী মাদ্রাসার সভাপতি। এই সভাপতি বেয়াদব,কুলাঙ্গার। তাকে এই মাদ্রাসা থেকে তাড়াতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন খিলবাইছা রাহমানিয়া ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসা এলমনাই এসোসিয়েশনের প্রধান উপদেষ্টা ও লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আ হ ম মুশতাকুর রহমান।
শনিবার সংগঠনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে ঈদ পুনর্মীলন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আ হ ম মুশতাকুর রহমান এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
এলমনাই এসোসিয়শনের সাধারণ সম্পাদক গোলাম সারোয়ার লিটনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মাওলানা আনোয়ার হোসেন, মাওলানা নাসির আহমেদ,মাওলানা নূর মোহাম্মদ ও জাফর ভূঁইয়া। বক্তব্য রাখেন আলমনাই এসোসিয়েশন নেতা নাজমুল করিম টিপু। এলমনাই এসোসিয়েশন শুভাকাঙ্ক্ষী প্রকৌশলী হামিদুর রহমান বাবু, জি এ সাজু ও ব্রাদার্স ইউনিয়ন লক্ষ্মীপুরের চেয়ারম্যান মো. ফয়সাল হোসেন হোসেন রনিও অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন । উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসা শিক্ষক সদরুল আলম, খিবাইছা গ্রামের হারুন ভুইয়া, নবী ভুইয়া ও আরিফুর রহমান ভূঁইয়াসহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠান সমাপ্ত ঘোষণা করেন সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ বেলাল পাটোয়ারি। মোশতাকুর রহমান বলেন, খিলবাইছা রহমানিয়া ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসা একটি ঐতিহ্যবাহী মাদ্রাসা। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কর্মরত আছেন। এফজালুল করিম সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে মাদ্রাসা বিভিন্ন সূচকে পিছিয়ে যাচ্ছে। আগে বাৎসরিক ওয়াজ মাহফিল বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় অনুষ্ঠিত হতো। এখন তা নেই। তিনি বলেন, আমরা প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা ঈদ পুনর্মিলন অনুষ্ঠান পালনে উপস্থিত হয়েছি। এফজালুল করিম মাদ্রাসা কক্ষে এ অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ করেছে। এজন্য মাদ্রাসা কক্ষে আমরা অনুষ্ঠান করতে পারিনি। নিরুপায় হয়ে মেঘাচ্ছন্ন খোলা আকাশের নিচে অনাদরে অবহেলায় আমাদেরকে ঈদগাহ মাঠে থাকতে হচ্ছে। আমাদের কষ্ট হচ্ছে। এফজাল করিম বেয়াদব, কুলাঙ্গার। তার অপকর্ম সম্পর্কে পত্রপত্রিকায় লিখতে হবে। তাকে মাদ্রাসা থেকে তাড়াতে হবে।
এফজালুল করিম সম্পর্কে জাফর ভূঁইয়া বলেন, এই লোকটার আচরণ খুব খারাপ। ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।