বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২০ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বাংলাদেশের মুখপত্রে আপনাকে স্বাগতম।
শিরোনাম :
পল্টনে ১মাসে ১শ৯৪জন গ্রেফতার ২৭ টি মোবাইল উদ্ধার ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত অকটেন ও পেট্রোল সংকটে ধুঁকছে নবীনগর: সক্রিয় অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট; রাতের আঁধারে বাড়তি দামে বিক্রি লক্ষীপুর পৌরসভা ফিরোজ মিয়া তৈলের পাম্পের ম্যানেজার অহিদ/ অধূদের অত্যাচারে ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে রাজধানীর কোতোয়ালী থানা এলাকায় দুর্বৃত্তদের হামলায় যুবদল নেতা গুলিবিদ্ধ নবীনগর আহমেদ প্রাইভেট হাসপাতালে সিজারের রোগীকে মেরে ফেলার অভিযোগে হাসপাতাল ভাংচুর  চিরসবুজ নায়ক আলমগীরের ৭৬তম জন্মদিন পালিত বাংলাদেশে জাপান ফাউন্ডেশনের অফিস স্থাপনে আহ্বান প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হকের বংশালে চোরাই স্বর্ণের চেইন চেক বই ও দলিল উদ্ধার- ২ জন গ্রেফতার কুমিল্লা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে জামায়াত-বিএনপি প্যানেল জয়ী

লিজ নেওয়া মিশরীয় উড়োজাহাজের পেছনে গচ্চা হাজার কোটি টাকা

বাংলাদেশের মুখপত্র ডেস্ক :
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৩১ মে, ২০২২

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ইজারা বা লিজ নেওয়া ইজিপ্ট এয়ারের (মিশর) উড়োজাহাজের অনিয়ম ও দুর্নীতি অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এরই মধ্যে বাংলাদেশ বিমানের কাছে ১৩ ধরনের নথিপত্র চেয়ে চিঠি দিয়েছে দুদক।

বাণিজ্যিক সম্ভাব্যতা যাচাই না করে ২০১৪ সালে পাঁচ বছরের চুক্তিতে ইজিপ্ট এয়ার থেকে দুটি উড়োজাহাজ বোয়িং ৭৭৭-২০০ ইআর লিজ নেয় বিমান। যার মধ্যে একটি বিমানের বহরে যুক্ত হয় ২০১৪ সালের মার্চে এবং অন্যটি একই বছরের মে মাসে। এক বছরের কম সময় অর্থাৎ ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ফ্লাইট পরিচালনার পর একটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। উড়োজাহাজটি সচল রাখতে ইজিপ্ট এয়ার থেকেই ভাড়ায় আনা হয় আরেকটি ইঞ্জিন। পরে সেই ইঞ্জিনও নষ্ট হয়ে যায়। সেই ইঞ্জিন মেরামত করতে পাঠানো হয় যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিষ্ঠানে। এসব করে ইজিপ্ট এয়ার ও মেরামতকারী কোম্পানিকে পাঁচ বছরে বাংলাদেশ বিমানের গচ্চা দিতে হয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকা।

ইজিপ্ট এয়ার ইজারা ও রক্ষণাবেক্ষণ অনিয়ম অনুসন্ধানে দুদক উপ-পরিচালক সালাহউদ্দিন ও সহকারী পরিচালক জেসমিন আক্তারের সমন্বয়ে একটি অনুসন্ধান টিম গঠন করা হয়েছে। গত ২৮ মে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন নথিপত্র চেয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে দুদক সূত্রে জানা গেছে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. আবু সালেহ্ মোস্তফা কামাল বরাবর পাঠানো চিঠিতে অনুসন্ধান টিম লিজ নেওয়ার দরপত্রসহ অন্তত ১৩ ধরনের নথিপত্র দ্রুত সময়ের মধ্যে সরবরাহের অনুরোধ করা হয়েছে।

জানা যায়, ইজিপ্ট এয়ারের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, দুটি উড়োজাহাজের জন্য প্রতি মাসে ১০ কোটি করে বছরে ১২০ কোটি টাকা লোকসান দিতে হয়েছে বিমানকে। লিজ চুক্তিতে বলা হয়েছে, যাত্রী পরিবহন করুক আর না করুক প্রতি মাসে উড়োজাহাজপ্রতি ৪ কোটি ৭০ লাখ ১৬ হাজার টাকা ভাড়া দিতে হবে। পাঁচ বছরের আগে চুক্তি বাতিল করা যাবে না এবং লিজের মেয়াদ শেষে উড়োজাহাজ দুটি আগের অবস্থায় ফেরত দিতে হবে। তবে উড়োজাহাজ দুটির সর্বশেষ অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বিমানের কাছে যেসব নথি চেয়েছে দুদক তা হচ্ছে- ইজিপ্ট এয়ার কর্তৃক রিপোর্ট অব ফিজিক্যাল ইন্সপেকশন অব টু ৭৭৭-২০০ ইআর এয়ারক্র্যাফট শীর্ষক পরিদর্শন প্রতিবেদনের ছায়ালিপি, ২০১৩ সালের ২৮ অক্টোবর ওই বিমান লিজ নেওয়ার জন্য গঠিত টিম, তাদের আদেশ ও এ সংক্রান্ত নথির ছায়ালিপি, ২০০৯ সালের ১১ জুন অনুষ্ঠিত ফ্লাইট প্ল্যানিং কমিটির লিজ সংক্রান্ত সভার সিদ্ধান্তের ছায়ালিপি, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেডের ক্রয় নীতিমালা ও আর্থিক কার্যক্রমের সত্যায়িত ছায়ালিপি, বিমান লিজ নেওয়ার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বানের সিদ্ধান্ত সংক্রান্ত নথি, টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি ও নোটসহ পূর্ণাঙ্গ নথির সত্যায়িত ছায়ালিপি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর